প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

তিন দা;পুটে ক;র্মকর্তা এখন কন;ডেম সেলে নি;শ্চুপ

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

তারে;ক সাঈদ, আরিফ হো;সেন ও এম মা;সুদ রানা তিনজনই ছি;লেন র‌্যাব-১১-এর দা;পুটে কর্মকর্তা। বর্ত;মানে তিনজন;কেই রাখা হয়েছে কা;রাগা;রের নি;র্জন কন;ডেম সেলে। তাঁদে;র ঘুমা;তে হয় ফ্লো;রে। কারা;বিধি অনুযায়ী তাঁদের দেওয়া হয়েছে একটি থা;লা, একটি বা;টি, তিনটি ক;ম্বল ও একটি বা;লিশ। এই তি’নজনই নারা’য়ণগ’ঞ্জের সা’ত খু’;ন মা;ম’লার আ;সা;মি। আদা;লত তাঁ;দের ফাঁ;সি;র দ;ণ্ড দিয়েছেন। এর পর থেকেই তাঁরা ক;নডেম সে;লের বাসিন্দা।

২০১৪ সালে;র ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিং;ক রোড থেকে অ;পহৃ;ত হন না;রায়ণগঞ্জ সিটি কর;পোরেশনের কাউ;ন্সিলর ও প্যানে;ল মে;য়র নজরুল ইসলাম, আইন;জীবী চন্দন সর;কারসহ সাত;জন। শী;তল;ক্ষ্যা; নদী থেকে ৩০ এপ্রিল ছ;য়জনের ও ১ মে অ;ন্যজ;নের লা;শ উদ্ধার করা হয়। তদন্তে এই হ;ত্যা;র স;ঙ্গে র‌্যাব-১১-এর তৎ;কা;লীন অধিনা;য়ক লে;ফটে;ন্যান্ট ক;র্নেল তারেক সাঈদ, মেজর আ;রিফ হোসেন ও কমান্ডার এম মাসুদ রানার সংশ্লিষ্টতার বিষ;য়টি উঠে আসে। ওই ঘট;নার পর তাঁদের তিন;জনকেই গ্রে;প্তার করা হয়। সে;না;বাহি;নী ও নৌ;বা;হিনী থেকে তাঁদের চাক;রি চলে যায়। বি;চারে তাঁদে;র ফাঁ;সি;র দ;ণ্ড; হয়।

এক কারা ক;র্মকর্তা জানিয়েছেন, ফাঁ;সির রা;য়ের বিরু;দ্ধে তাঁ;রা আপিল করেছেন। আ;পিলের রা;য়ে আদা;লত যদি তাঁদের ফাঁ;সি;র দ;ণ্ড থেকে মু;ক্তি দিয়ে দেন, তাহলে তাঁ;দেরকে; কন;ডেম সে;লে রাখা হবে না। আর য;দি রায় বহাল রাখেন, তা;হলে তাঁ;দের ফাঁ;সি কা;র্যকরের ;ব্যব;স্থা করা হবে। এক কারা কর্ম;কর্তা জানান, কা;রাবি;ধি অনুযা;য়ী কারো ফাঁ;সি;র রা;য় ঘো;ষণার পরপ;রই তাঁ;দের ক;নডেম সে;লে রাখা হয়। এই তি;নজ;নের ক্ষে;ত্রেও তা-ই হয়েছে।

বর্তমা;নে কা;শিমপুর ২ নম্বর ;কা;রাগা;রের কন;ডেম সে;লে রয়েছেন তা;রেক সাঈ;দ ও এম মা;সুদ রানা। আর আরি;ফকে ;রাখা হয়ে;ছে কাশিম;পুর-১ কা;রাগা;রে। তা;রেক সাঈ;দকে কা;রাগা;রে নিয়ে যাও;য়ার পর শু;রুর দিকে তিনি বেশ দাপ;টের সঙ্গেই কথা বলতে;ন সবার সঙ্গে। ২০১৬ সালের দিকে বিশে;ষ সুবিধায় বেশ কিছুদি;ন তিনি হাস;পাতালে;ও ছিলেন। ২০১৬ সালের জা;নুয়ারি মাসে ঢাকা মেডি;ক্যাল কলে;জ হাসপা;তালের ৪৩ নম্ব;র শী;তাতপ নিয়;ন্ত্রিত কে;বিনে ভ;র্তি ছিলেন তিনি। সেখানে নিয়ম ভে;ঙে ল্যা;পটপ চালাতেন। ব্যবহার করতেন মো;বাইল ফোনও। ওই সময় অ;নেকে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎও করতেন। পরে বিষয়টি নিয়ে গণমা;ধ্যমে সাংবাদ প্রকাশিত হলে তাঁকে কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

কারা সূত্র জানায়, এখন তাঁদের আর আগের মতো দা;পট দেখাতে দেখা যায় না। তিনজনই চু;প;চাপ থাকছেন। কা;রাগা;রের নিয়মানুযায়ী যা যা প্রাপ্য তা-ই পাচ্ছেন। ক;ম্বল দিয়ে সেলের মে;ঝেতে ঘু;মাতে হয় তাঁদের। খাবা;রও দেওয়া হয় সাধারণ ব;ন্দি;দের মতোই। কখনো কখনো জু;টে শ;ক্ত রু;টি। এসব খেলেও তাঁরা কোনো বি;রূপ প্রতি;ক্রিয়া দে;খান না বলে জা;না গেছে। ;

কাশি;মপুর-২ নম্বর কা;রাগা;রের জে;লার আবু সায়েম জানান, তা’রেক সা’ঈদ ও মাসু’দ রা’না কন’ডে’ম সে’লে আ’ছেন। কাশিমপুর-১ নম্বর কা;রাগা;রের জে;লার ঋতে;শ চাকমা জানান, তাকে (আ;রিফ হোসেনকে) কনডে;ম ;সেলে ;রাখা হয়েছে। একজ;ন ব;ন্দিকে কন;ডেম সেলে যে নিয়;মে রাখা হয় তা;কেও একই;ভাবে রা;খা হ;য়েছে।