প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

প্রেম করে বিয়ে, স্বামীকে বাঁচাতে নি;জের কিড;নি দিয়ে দিলেন নব;বধূ!

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

ভা;লোবাসার জন্যে মানুষ কি না করে? পৃথিবীতে সত্যি;কারের ভা;লবাসা যে এখনো রয়েছে তারই প্রমাণ দিয়ে;ছেন সুবর্ণা রানী নামে এক নব;বধূ। বাঁচলে একসঙ্গে বাঁচব, মর;লে একস;ঙ্গে ম;রবো, এমন প্রত্যয়ে স্বামী স;ঞ্জয় কুমারের জীবন বাঁচাতে স্বেচ্ছায় নি;জের কি;ডনি দান করেছেন তিনি। আ;লোচিত ঘটনাটি ব;গুড়ার ধুনট উপ;জেলায় মথুরাপুর ইউনিয়নের চরজো;লাগাঁতী গ্রামের।

মঙ্গল;বার (২৭ এপ্রিল) মুঠোফোনে স;ঞ্জয় কুমারের সাথে কথা হয়। তিনি ভাল;বাসার সংসারের দুঃখ-কষ্ট-য;ন্ত্রণা-উদ্বে;গের কথা বলতে গিয়ে গো;ড়ায় বি;ষাদগ্র;স্থ হয়ে পড়েন। কিন্তু, স্ত্রীর কথা উঠতেই সঞ্জ;য় কুমার যেন অন্য উ;দ্দীপ;নার জগতে চলে যান। তিনি বলেন, জীব;নে এর চেয়ে বড় কোনও প্রা;প্তি কী হয়!

উপজেলার চরজোলাগাঁতী গ্রামের অজিত হাওয়ালদারের ছেলে সঞ্জয় কুমারের (২৬) সাথে প্রতিবেশী গজেন হাওলাদারের কলেজ পড়ুয়া মেয়ে সুবর্ণা রানীর (১৯) প্রে;মের সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরে পারিবা;রিক স;ম্মতিতে ২০২০ সালের ২ ফে;ব্রুয়ারি তাদের বিয়ে হয়। কিন্ত বিয়ের দুই মাস পরই ভা;লোবাসার সং;সারে বি;ভীষি;কা নেমে আসে। ২০২০ সালের ৪ এপ্রিল সঞ্জ;য় অ;সুস্থ হয়ে পড়েন। পরে সঞ্জ;য়ের শা;রী;রিক পরী;ক্ষার পর জানতে পারেন তার দুটো কিড;নিই অকে;জো হয়ে গেছে। তাই দ্রু;ত কিড;নি প্র;তিস্থা;পন করতে হবে। এদিকে, কিড;নি কিনে তা প্রতি;স্থাপন করতে প্রয়োজন লাখ লাখ টাকা। যা কখনই স;ঞ্জয়ের প;রিবারের প;ক্ষে যো;গাড় করা সম্ভব নয়। ফলে হতাশা;য় পড়েন সঞ্জয় কুমার।

এ অবস্থায় সঞ্জয়ের মা ইতি রানী ছেলেকে একটি কি;ডনি দান করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু ভা;গ্যের কি নি;র্মম পরি;হাস! চিকিৎসক ইতি রানী শা;রীরিক প;রীক্ষা করে দেখেন তার একটি কি;ডনি অ;কে;জো হয়ে গেছে। তাই মা;য়ের পক্ষে ছেলেকে কিড;নি দান করা সম্ভব হলো না। ভাগ্য;ক্রমে সঞ্জয়ের সাথে তার স্ত্রী সুবর্ণা রানীর কি;ডনি মি;লে যায়। তাই স্ত্রী চাইলে তার দু;টি কি;ডনির মধ্যে একটি তার স্বামীকে দিতে পারবেন। বিষয়টি জানতে পেরে স্বে;চ্ছায় কি;ডনি দিতে রাজি হয়ে যান সু;বর্ণা রানী।

এরপর দীর্ঘদিন চিকিৎসার পর ১১মার্চ ঢাকা শ্যমলী সিকেডি এন্ড ইউরোলজী হাসপাতালে দুই জনেরই একসাথে অপা;রেশন হয়। অপা;রেশন করে স্বামীর অ;কে;জো দুই;টি কি;ডনি ফে;লে দি;য়ে প;তিব্র;তা স্ত্রীর দেওয়া একটি কিডনি প্রতি;স্থাপন করা হয়। আপা;তত দু’জনে হাসপাতালের কা;ছেই একটি ঘর ভা;ড়া করে রয়েছেন। অন্তত তিন মাস হাস;পাতা;লের কাছা;কা;ছি থেকে প্রতিস্থাপন পরবর্তী প্রতি;ক্রিয়া সা;মাল দিতেই এই ব্যবস্থা। বর্ত;মানে সিকেডি এন্ড ইউরোলজী হাসপাতালে অধ্যাপক ডাঃ কামরুল ইসলামের নিবিড় পর্যবে;ক্ষণে স্বা;মী-স্ত্রী দুজ;নই সুস্থ আছেন।