প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

এই উপসর্গ থাকলে করোনা হওয়ার সম্ভাবনা কম

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

শরীরে যতদিন সামান্য জ্বর, সর্দি, কাশি, গলা খুসখুস, গলাব্যথা থাকে তত দিন করো’না সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। ব্রিটেনের গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাম্প্রতিক গবেষণায় এই তথ্য জানা গেছে।

গবেষকরা জানিয়েছেন, একই সময়ে যদি দু’টি ভাই’রাস মানব দেহকোষে ঢোকে তাহলে প্রাথমিক ভাবে সার্স-কভ-২ ভাই’রাসকে এক রকম জ’ব্দ করে রাখে রাইনোভাই’রাস। শরীরে ঢুকে খুব দ্রুত নিজেকে সক্রিয় করার কাজ শুরু করে দেয় রাইনোভাই’রাস।

আর তখন সার্স-কভ-২ ভাই’রাসকে এটি সক্রিয় হয়ে ওঠার সুযোগটাই দেয় না। ফলে, মানব দেহকোষে ঢুকেও কিছু দিনের জন্য কার্যত নিষ্ক্রিয়ই হয়ে থাকতে বাধ্য হয় সার্স-কভ-২। সেই সময় রাইনোভাই’রাসই শরীরে রাজত্ব চালায়।এর আগে বিভিন্ন সংক্রমণের ঘটনায় দেখা গিয়েছে, এমন অনেক ভাই’রাস আছে, যেগুলো একই সময়ে মানবশরীরে ঢুকে একে অন্যের সঙ্গে মিলেমিশে থাকে।

সেই সব ভাই’রাসই মানব দেহকোষে একই সঙ্গে বংশবৃদ্ধি করে, নিজেদের মতো করে আলাদা আলাদা কৌশলে। এসব ভাই’রাস একে অ’পরের বংশবৃদ্ধিতে বাধা দেয় না। যেমন -‘অ্যাডিনোভাই’রাস’ ভাই’রাস। এটি মানব দেহকোষে অন্যান্য ভাই’রাসের সঙ্গে সহাবস্থান করে।

কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, ‘ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাই’রাস’ ও ‘রাইনোভাই’রাস’ মানব দেহকোষে ঢুকলে অন্য কোনও ভাই’রাসকে বংশবৃদ্ধি করতে দেয় না। শরীরে রাইনোভাই’রাসের ভূমিকা বুঝতে গবেষকরা একটি পরীক্ষা চালিয়েছেন। গবেষণার জন্য কৃত্রিম ভাবে মানুষের একটি শ্বা’সনালী তৈরি করা হয়।

পরে তার মধ্যে একই সময়ে রাইনোভাই’রাস ও সার্স-কভ-২ ভাই’রাস ঢোকানো হয়। গবেষণার জন্য দুটি ভাই’রাসই যাতে মানব দেহকোষে অবাধে বংশবৃদ্ধি করতে পারে তার সুযোগ করে দেওয়া হয়।

গবেষকরা দেখেন, মানব দেহকোষে দু’টি ভাই’রাস ঢোকানোর পর প্রথম ২৪ ঘণ্টায় শুধুই বংশবৃদ্ধি ঘটায় রাইনোভাই’রাস। স‌েই সময় সার্স-কভ-২ ভাই’রাসকে রাইনোভাই’রাস বংশবৃদ্ধি ঘটাতে দেয়নি।২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর সার্স-কভ-২ ভাই’রাস বংশবৃদ্ধি করতে শুরু করে। কিন্তু তার পরেই সার্স-কভ-২ ভাই’রাসকে নিস্ত্রিয় করে শরীর থেকে বের করে রাইনোভাই’রাস।