গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে সোমবার কলেজছা’ত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার ঝুলন্ত লা/শ উ’দ্ধার করা হয়েছে। সেই ফ্ল্যাট থেকে ৬টি ডায়েরি পাওয়া কথা জানিয়েছে পু’লিশ।সেগুলো যাচাইবাছাই করছে পু’লিশ।তরুণীর আ/ত্ম/হ’ত্যার প্র’রোচনার অ’ভিযোগ এনে কলেজছা’ত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে থা’নায় মা’মলা করার পরই ঘটনার ত’দন্তে নামে পু’লিশ।
ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার সুদীপ কুমা’র চক্রবর্তী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে বলেন, ওই তরুণীর মৃহদেহ উ’দ্ধারের পর সেখান থেকে তার মোবাইলসহ বিভিন্ন ধরনের আলামত উ’দ্ধারের সঙ্গে ৬টি ডায়েরি পাওয়া যায়। এসব ডায়েরিতে কী’ লিখা আছে, তা যাচাই করা হচ্ছে।
পু’লিশ কর্মক’র্তা সুদীপ কুমা’র বলেন, ওই ফ্ল্যাটে তরুণী একা থাকার কথা বলা হলেও কে কে আসা যাওয়ার মধ্যে থাকত, সে জন্য ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। উ’দ্ধার হওয়া ডায়েরির সাথে সেগুলো যাচাই চলছে।
মুনিয়ার মৃ’ত্যু কী’ আ/ত্ম/হ/ত্যা, তা নিশ্চিত হতে ময়নাত’দন্ত প্রতিবেদনের অ’পেক্ষায় রয়েছে পু’লিশ।উপকমিশনার সুদীপ বলেন, আম’রা অ’পেক্ষা করছি ময়নাত’দন্তের প্রতিবেদনের জন্য। আপাতত হ্যাংগিং মনে হলেও প্রতিবেদন থেকে জানা যাবে কী’ভাবে তার মৃ/ত্যু হয়েছে। এরপরেই ত’দন্তের গতি নির্ধারণ হবে। এখন আম’রা এভিডেন্স কালেকশন করছি।
এদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে ময়নাত’দন্তের পর মুনিয়ার লা’শ কুমিল্লায় নিয়ে মঙ্গলবারই দাফন করেছেন স্বজনরা।মুনিয়া রাজধানীর একটি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি কুমিল্লা শহরে। সেখানেই থাকে তার পরিবার।এর আগে সোমবার সন্ধ্যার পর গুলশান ২ নম্বরের ১২০ নম্বর সড়কের একটি ফ্ল্যাট থেকে তার লা’শ উ’দ্ধার করা হয়।













































