প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

করোনা সংক্রমণের মধ্যেই ডায়রিয়ার প্রকোপ

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

করোনা সংক্রমণের মধ্যেই ভোলা ও পটুয়াখালীতে দেখা দিয়েছে ডায়রিয়ার মারাত্মক প্রকোপ। অতিরিক্ত রোগীর চাপে হাসপাতালে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা। শয্যা সংকটে বেশির ভাগ রোগী হাসপাতালের বারান্দা ও মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। প্রচণ্ড গরম আর বিশুদ্ধ পানির অভাবই হঠাৎ করে ডায়রিয়ার কারণ বলে জানালেন চিকিৎসকরা।

শয্যা সংকটে কেউ হাসপাতালের মেঝেতে, কেউ-বা বারান্দায় চিকিৎসা নিচ্ছেন- এমন চিত্র ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে। ১০ শয্যার ডায়রিয়া ওয়ার্ডের বিপরীতে গড়ে প্রতিদিন ভর্তি হচ্ছে তিন শতাধিক রোগী। স্থান সংকুলান না হওয়ায় হাসপাতালের পুরোনো ভবনের পুরোটায় রাখা হচ্ছে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী। তবে ঠিকমতো সেবা না পাওয়ার অভিযোগ রোগীদের।

লোকবল সংকটে একসাথে এত রোগীর চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. সৈয়দ রেজাউল ইসলাম জানান, প্রচণ্ড গরম আর বিশুদ্ধ পানির অভাবই ডায়রিয়ার কারণ। জেলার বিভিন্ন জায়গায় ৭৪টি মেডিক্যাল টিম কাজ করার কথাও জানান তিনি ।

তিনি বলেন, এত রোগী যখন একসাথে হাসপাতালে আসেন তখন আমরা আসলেই একটু হিমসিম খেয়ে যাই। আমাদের নিয়মিত বেড ছাড়াও ফোরে রাখতে হচ্ছে রোগীদের। এই ডাইরিয়ে কমানোর জন্য মানুষকে যে স্বাস্থ্য শিক্ষা দেয়া দরকার সেটার জন্য আমাদের ৭৪ টি মেডিক্যাল টিম ভোলা জেলাতে কাজ করছে।

একই চিত্র পটুয়াখালীর বিভিন্ন হাসপাতালেও। জেলার মির্জাগঞ্জ, দুমকী ও গলাচিপা উপজেলায় ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি। হাসপাতালের বারান্দা ও মেঝেতেও চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

গত সপ্তাহে খাবার স্যালাইন ও আইভি স্যালাইনের সংকট দেখা দিলেও বর্তমানে কোনও সংকট নেই বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম শিপন।

তিনি বলেন, এবারের ডায়রিয়ার প্রকোপ গতবারের তুলনায় অনেক বেশি। তবে এক সপ্তাহ আগের তুলনায় এখন পরিস্থিতি অনেক ভাল।

গত এক সপ্তাহে জেলায় চিকিৎসা দেয়া হয় প্রায় পাঁচ হাজার ডায়রিয়া রোগী। এদের মধ্যে মারা গেছে একজন।