রাজধানীর গুল’শানে ফ্ল্যাট থেকে তরুণীর ঝুলন্ত ম’র’দেহ উ’দ্ধারের ঘটনায় বেরিয়ে আসছে নতুন সব তথ্য। মোসারাত জাহান মুনিয়া নামের ওই তরুণীর পরিবার কুমি’ল্লায় থাকত। তবে তিনি থাকতেন ঢাকায়। উচ্চ মাধ্যমিকে পড়াশোনা করতেন ঢাকার একটি কলেজে।
উচ্চ মাধ্যমিকে দ্বিতীয় বর্ষের ওই ছা’ত্রী গুলশানের ১২০ নম্বর রোডের যে বাসায় ভাড়া থাকতেন, তার ভাড়া ছিল এক লাখ টাকা।
পু’লিশের গু’লশান বিভাগের উপক’মিশনার (ডিসি) সুদীপ কুমা’র চক্রবর্তী জানান, বাসাটির বাড়িওয়ালার কাছ থেকে পাওয়া চুক্তি’পত্র অনুযায়ী ফ্ল্যা’টটি মা’র্চ মাসের ১ তারিখে ভাড়া নেন মুনিয়া। তিনি আরও জানান, চুক্তি’পত্র অনুযায়ী অগ্রিম ২ লাখ টাকা দিয়ে প্রতি মাসে ১ লাখ টাকা ভাড়ার বিনিময়ে ওই বাসায় একাই থাকতেন কলেজছা’ত্রী।
সুদীপ আরও জানান, মুনিয়া কুমিল্লা শহ’রের বীর মু’ক্তিযো’দ্ধা শফিকুর রহমানের মে’য়ে। তার পরিবার কুমি’ল্লায় থাকলেও মুনিয়া একাই ওই ফ্ল্যাটে থাকতেন।
দেশের একটি শীর্ষ স্থা’নীয় শিল্প গ্রুপের ব্যবস্থা’পনা পরিচালকের সঙ্গে মোসারাত জাহানের পরিচয় ছিল। ওই ফ্ল্যাটে তার যাতায়াতের বিষয়েও তথ্য পাওয়া গেছে।
পু’লি’শ আরও জানায়, শিল্প’পতির ওই পরিবারের লোক’জনের সঙ্গে মনোমালিন্যের অ’ভিযোগ করেছেন মুনিয়ার বড় বোন। সম্প্রতি হয়ে যাওয়া একটি ইফতার পার্টিকে কেন্দ্র করে মনোমালিন্য আরও ঘনীভূত হয়।
তরুণীর লা’শ উদ্ধা’রের ঘ’টনার পর সোমবার রাত দেড়টার দিকে গুল’শান থা’নায় একটি মা’ম’লা দায়ের করেন মুনি’য়ার বড় বোন নুসরাত জাহান। মা’ম’লা করে থা’না থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় গণমাধ্যমের স’ঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি তিনি।













































