এরইমধ্যে ‘বঙ্গবন্ধু’ সিনেমায় মুম্বাই অংশের কাজ শেষ করলেন চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ। বাংলাদেশ ও ভা’রতের যৌথ প্রযোজনার এই সিনেমায় এ নায়ক পারিশ্রমিক নিয়েছেন মাত্র ১ টাকা। নায়কের ভাষ্যমতে, তার অ’ভিনয়জীবনের সেরা এক চরিত্র শেখ মুজিবুর রহমান। অনেক আবেগের নামও তার কাছে। তাই এখানে টাকা’টা মুখ্য নয়।
সেই পারিশ্রমিক পাওয়া এক টাকার চেকের ছবিও তিনি প্রকাশ করেছেন সোশ্যাল হ্যান্ডেলে। যথারীতি চেকটি এখন ভাই’রাল!শুভর ভাষ্য, ‘একজন অ’ভিনয়শিল্পী হিসেবে আমা’র মনে হয়েছে, একটা চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে হলে সেটার নার্ভ ধরতে হয়, হোক সেটা ফিকশনাল বা কাল্পনিক। শুনেছি, বঙ্গবন্ধু তার জীবনের ১১ বছর ৪ মাস ২২ দিন কারাগারে কাটিয়েছেন।
এই মানুষটার চরিত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য স্যাক্রিফাইস। জীবদ্দশায় তিনি মানুষ ও দেশের জন্য কেবল ত্যাগই করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর সাহস আর স্যাক্রিফাইসের কাছে আমা’র এই স্যাক্রিফাইস কিছুই না। সেই ভাবনা থেকেই পরিচালককে বলেছিলাম, প্রাপ্য যাই হোক, আমি নেব না। এও বলেছিলাম, যেহেতু আমা’র র’ক্ত, ঘাম সবই এই সিনেমায় থাকবে, তাই ফ্রিতে কাজ করব না, পারিশ্রমিক নেব। তাই আমি এক টাকা নিয়েছি।’
চুক্তির সময় শুভর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, তার কোনও শর্ত আছে কিনা। তখন এই তারকা সম্মানী এক টাকা চেয়েছেন। যা শুনে মুগ্ধ হয়েছিলেন ছবির পরিচালক শ্যাম বেনেগালসহ অনেকে। এমনি শুটিং ইউনিটে আদর করে শুভকে ডা’কা হতো ‘এক টাকার আর্টিস্ট’ বলে! উপাধিটা দেন শ্যাম বেনেগাল নিজেই।
এদিকে, ভা’রতের মুম্বাইয়ে ‘বঙ্গবন্ধু’র বেশিরভাগ অংশের কাজ শেষ হয়েছে। শিগগিরই বাংলাদেশ অংশের শুটিং শুরু করবেন নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল। এটি শুরু হবে আগামী সেপ্টেম্বরে।চলচ্চিত্রটিতে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অ’ভিনয় করছেন আরিফিন শুভ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোটবেলার চরিত্রে আছেন নুসরাত ফারিয়া। এছাড়া তাজউদ্দীন আহমেদ চরিত্রে রিয়াজ আহমেদ এবং বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী’ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ভূমিকায় অ’ভিনয় করছেন নুসরাত ইম’রোজ তিশা।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে, খায়রুল আলম সবুজ (লুৎফর রহমান), দিলারা জামান (সাহেরা খাতুন), সায়েম সামাদ (সৈয়দ নজরুল ইস’লাম), শহীদুল আলম সাচ্চু (এ কে ফজলুল হক), প্রার্থনা দীঘি (ছোট রেনু), রাইসুল ইস’লাম আসাদ (আবদুল হামিদ খান ভাসানী), গাজী রাকায়েত (আবদুল হামিদ), তৌকী’র আহমেদ (সোহরাওয়ার্দী), সিয়াম আহমেদ (শওকত মিয়া) ও মিশা সওদাগর (জেনারেল আইয়ুব খান)।
ছবিটি ২০২১ সালেই মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা দুই রাষ্ট্রের। বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী নিয়ে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটি হতে যাচ্ছে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ক্যানভাসের কাজ।













































