প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

স্থগিত হওয়া আইপিএলে কেলেঙ্কারি, ফাঁস!

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

চলতি মৌসুমের আইপিএল স্থগিত হয়ে গেছে। তবে স্থগিত হয়ে যাওয়া আইপিএলেই নাকি গড়াপে’টা হচ্ছিল। বুধবার এমনই ভ’য়ঙ্কর খবর দিলেন ভা’রতীয় ক্রিকেট বোর্ডের দু’র্নীতি দমন শাখার প্রধান সাব্বির হুসেন শেখাদাম। ভা’রতের স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে এমনই তথ্য জানা গেছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, দিল্লি পর্বে আইপিএলের জৈব সুরক্ষা বলয় ভেঙে পড়া নিয়ে উত্তাল ক্রিকেট বিশ্ব, সেই দিল্লির কোটালা স্টেডিয়ামেই বল ধরে ধরে বেটিং চলছিল! খোদ স্টেডিয়ামের মধ্যে থেকেই। দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে বুকি প্রবেশ করল কিভাবে? প্রতিবেদনে, একজন ক্লিনারকে অর্থের লো’ভ দেখিয়ে বুকিরা নিয়োগ করেছিল।

তবে একদম বেটিং করার সময়েই ধ’রা পড়ে যায় সেই ব্যক্তি। আইপিএল বন্ধ হওয়ার পরে চাঞ্চল্যকর এমন তথ্য ফাঁ’স করেছেন সাব্বির হুসেন। ভা’রতীয় সংবাদসংস্থা পিটিআইকে গুজরাট পু’লিশের প্রাক্তন এই কর্মক’র্তা জানিয়েছেন, একটি ম্যাচ চলার সময় স্টেডিয়ামের একটি নিরিবিলি জায়গায় দাঁড়িয়ে সম্প্রচার এবং লাইভ একশন চলার মাঝে গড়াপে’টা করছিল ফোনে।

সেই সময়েই দু’র্নীতিদমন শাখার কর্মক’র্তার নজরে পড়েন তিনি। কী’ করছেন, জিজ্ঞাসা করলেই জবাব দেওয়া হয়, বান্ধবীর সঙ্গে সেই ব্যক্তি ফোনে কথা বলছিলেন। এরপরেই ফোন কেড়ে নিয়ে বিষয়টি বুঝতে পারেন কর্মক’র্তারা। তবে ফোন কর্মক’র্তারা নিয়ে নেওয়ার সময়েই পালিয়ে যান সেই ব্যক্তি।

তবে কোন ম্যাচের সময় এমন ঘটনা ঘটেছিল তা বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি। যাইহোক, ঘটনার পরেই এন্টি করাপশন ইউনিটের পক্ষ থেকে দিল্লি পু’লিশে অ’ভিযোগ দায়ের করা হয়। এদিকে, মে মাসের ২ তারিখে রাজস্থান রয়্যালস বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচ চলাকালে দিল্লি পু’লিশের পক্ষ থেকে ভুয়ো পরিচয়পত্র নিয়ে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করা দুই ব্যক্তিকে গ্রে’প্তার করা হয়।

গ্রে’প্তারের আগেও দুই ব্যক্তি দু-বার স্টেডিয়ামে প্রবেশ করেছিলেন। ভা’রতীয় ক্রিকেট বোর্ডের দু’র্নীতি দমন শাখার কর্মক’র্তারা বলছেন, গ্রে’প্তার হওয়া দুই ব্যক্তি ‘ছোট মাছ’। হয়ত কয়েক হাজার টাকার বিনিময়ে স্টেডিয়াম থেকে সরবরাহ করছিল তাঁরা। তবে গভীর জলের মাছদের খোঁজে তল্লা’শি চালানো হচ্ছে।

আরো জানানো হয়েছে, মুম্বাই লেগের সময় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ যে হোটেলে ছিল, সেই হোটেলের বেশ কয়েকটি রুমে স’ন্দেহভাজন কয়েক ব্যক্তি ছিল। যাঁদের ডেটাবেস রয়েছে করাপশন ইউনিটের কাছে। তবে সেই ব্যক্তিরা ক্রিকেটারদের সঙ্গে সাক্ষাত করেনি।