কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভারতে সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়ে যাওয়ায় পরীক্ষা বাড়ানো হয়েছে। গত একদিনে ভারতে ২২ লাখ ১৭ হাজার মানুষের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে ২ লাখ ৮ হাজার নতুন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
সংক্রমণ কমে এলেও বেড়েছে মৃত্যু। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে ৪১৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে মহামারিতে। এ নিয়ে মৃত্যু ৩ লাখ ২২ হাজারের মাইলফলক ছাড়িয়ে গেছে। বুধবার ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছেন দেশটির নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া ও এনডিটিভি।
আরও পড়ুন= প্রচণ্ড দাবদাহে মানুষের নাজেহাল অবস্থা। অত্যধিক তাপ অবসাদগ্রস্ত করে তোলে, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় ও নানা শারীরিক জটিলতা তৈরি করে। আমাদের জীবনযাপন ও খাদ্যাভাসের কিছু পরিবর্তন আনলে এই অসহনীয় গরম আবহাওয়াতেও অনেকটা সতেজ থাকা সম্ভব। গরমের তাই খাবারদাবার নির্বাচনে হতে হবে কৌশলী।
গরমে শরীর ভালো রাখতে গরমে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে প্রচুর লবণ ও পানি বের হয়ে যায়। সে জন্য গ্রীষ্মের এই গরমে প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করতে হবে। পাশাপাশি খাবার স্যালাইন, লেবুপানি বা কচি ডাবের পানি পান করতে পারেন। গরমের প্রকোপ বেড়ে যাওয়াতে শহরের বিভিন্ন জায়গায় পথের ধারে লেবুসহ
বিভিন্ন ফলের শরবত বিক্রি করতে দেখা যায়। এই শরবতগুলো একেবারে বর্জন করে চলতে হবে। কারণ, সেগুলো নানা শারীরিক জটিলতা তৈরি করতে পারে। জ্যৈষ্ঠ মাসে বিভিন্ন ফল পাকতে শুরু করে। এই ঋতুতে প্রচুর পানিযুক্ত ফল, যেমন আম,
জাম, তরমুজ, জামরুল, তালশাঁস, বাঙ্গি, পাকা পেঁপে, বেল খেতে পারেন। বিভিন্ন ফলের রস বা স্মুদি তৈরি করে মধ্য সকাল বা বিকেলের নাশতা হিসেবে খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন। গ্রীষ্মের এ সময় শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে হলে অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার, লাল মাংস, তেলে ভাজা খাবার, ফাস্টফুড বা অন্যান্য অস্বাস্থ্যকর খাবারের পরিবর্তে মৌসুমি শাকসবজি, ফলমূল, মাছ ও মুরগির মাংসকে খাদ্যতালিকায় প্রাধান্য দিতে হবে।













































