প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে রাজধানী ছাড়ছেন নগরবাসী

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

সরকারের দেয়া লকডাউনের বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে রাজধানী ছাড়ছেন নগরবাসী। আন্তজেলা বাস চলাচল বন্ধ থাকায় বিকল্প উপায়ে ফিরতে হচ্ছে তাদের।

আজ সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন টার্মিনালে ঘরমুখো মানুষের ভিড় দেখা যায়। অনেকে প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাসে করে বাড়ির পথ ধরছেন। কেউবা সওয়ার হন পিকআপ কিংবা। তবে বেশিরভাগই যাচ্ছেন ভেঙে ভেঙে। এতে খরচ ও ভোগান্তি দুটোই বাড়ছে।

এদিকে রাজধানীর ভেতরে অর্ধেক আসন খালি রেখে চলছে গণপরিবহন। তবে চালক-হেলপারদের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে উদাসীনতা দেখা গেছে। এছাড়া বেশিরভাগ বাসে নেই হ্যান্ড স্যানিটাইজার।

আরও পড়ুন=এখন পর্যন্ত আইপিএলে ২৯টি ম্যাচ খেলা হয়েছে। প্লে-অফসহ বাকি আরও ৩১ ম্যাচ। এমন অবস্থায় বন্ধ হয়ে গেল ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। ভারতে করোনা পরিস্থিতি এতোটাই মারাত্মক যে, কখন সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে ফের আইপিএল মাঠে গড়াবে তা অনিশ্চিত। এদিকে টুর্নামেন্টটি হঠাৎ স্থগিত হয়ে যাওয়ায় কমপক্ষে ২২০০ কোটি রুপি লোকসানের মুখে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই।

এমন পরিস্থিতিতে দারুণ এক প্রস্তাব দিল ইংল্যান্ড। দেশটির একাধিক কাউন্টি ক্লাব তাদের ভেন্যুতে আইপিএলের ম্যাচ আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে আইপিএলের বাকি অংশের আয়োজন করতে চায় তারা।সেপ্টেম্বরে এমসিসি, সারে, ওয়ারউইকশায়ার এবং ল্যাংকাশায়ার-এই চার কাউন্টি দল নিজেদের মাঠে আইপিএলের ম্যাচ আয়োজন করতে ইচ্ছুক।

এই চার ক্লাবের ঘরের মাঠ হলো যথাক্রমে লর্ডস, কিয়া ওভাল, এজবাস্টন এবং ওল্ড ট্রাফোর্ড। প্রতিটি কাউন্টি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডকে চিঠি পাঠিয়ে অনুরোধ করেছে যত দ্রুত সম্ভব এ বিষয়ে ভারতীয় বোর্ডের সঙ্গে কথা বলতে।

আইপিএল আয়োজনে আগ্রহী কাউন্টিগুলোর বক্তব্য, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে এই প্রতিযোগিতা ইংল্যান্ডে করা হলে ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়বে। অবশ্য হিসেবটা অনেকটা বাণিজ্যিকও। আইপিএলের জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে ইংল্যান্ডের বাজার ধরতে আগ্রহী কিছু সংস্থা।

এদিকে বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সময় বের করে যত দ্রুত সম্ভব তারা বাকি অংশটা আয়োজন করতে চান। কিন্তু বিশ্বকাপের আগে সেটা ভারতে সম্ভব কি না তা পড়েছে অনিশ্চয়তায়। এছাড়া ভারতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এতোটাই ভেঙে পড়েছে যে করোনার তৃতীয় টেউ মোকাবিলায় সামর্থ্য থাকে কি না সেটাই আশংকার বিষয়। এর মধ্যে অক্টোবরে দেশটিতে বিশ্বকাপ আয়োজন-ই হুমকিতে পড়েছে।

এসব বিবেচনায় ইংল্যান্ডের কাউন্টিগুলোর আবেদনে ভারত সাড়া দিলে বিস্ময়ের কিছু নেই। অনেকের মতে এটি ভালো সিদ্ধান্ত হবে। সেক্ষেত্রে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা ফলপ্রসূ হলে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের মাটিতে দেখা যেতে পারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট আসরটি। তথ্যসূত্র: ইএসপিএন