প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

শনিবার রাতে পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পারে সেই চীনা রকেট!

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

অ’নিয়ন্ত্রিত গতিতে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসা চীনের বৃহত্তম রকেট লং মা’র্চ ৫-বি এর টুকরো আগামী শনিবার রাতে পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পারে। এটি লম্বায় ১০০ ফুট আর ওজন ২১ টন। যু’ক্তরাষ্ট্রের প্রতির’ক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাইক হাওয়ার্ড সিএনএনকে বলেছেন, ধারাণা করা হচ্ছে চীনের লং মা’র্চ ৫বি রকেটটি ৮ মে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে পারে। তবে মা’র্কিন স্পেস কমান্ড রকেটটির ট্র্যা’ক করছে।

ইতোমধ্যে অ্যারোস্পেস ডট অর্গ রকেটটি ট্র্যাক করেছে।এটি ৮ মে রাত সাড়ে ৯টার দিকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে পারে। তবে এর সময় পরিবর্তনও হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে উৎক্ষেপণ করা চীনা রকে’টের ওই অবশিষ্টাংশ কয়েক দিনের মধ্যেই বায়ুমণ্ডল অ’তিক্রম করে ভূপৃষ্ঠে বা সমুদ্রে আছ’ড়ে পড়বে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

গত ২৯ এপ্রিল ‘লং মা’র্চ ৫বি’ নামের রকেটটি চীনের হাইনান দ্বীপ থেকে তিয়ানহে মডিউল নিয়ে পৃথিবীর কক্ষপথের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তিয়ানহে মডিউল চীনের নির্মাণাধীন স্থায়ী মহাকাশ স্টেশনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ। স্টেশনটির তিন ক্রুর বসবাসের কোয়ার্টার এই মডিউলটিতে করেই নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মহাকাশ স্টেশন স্থাপনের জন্য কক্ষপথে মোট ১১টি মিশন পরিচালনা করবে চীন। এর প্রথমটিতেই ‘লং মা’র্চ ৫বি’ রকে’টে করে তিয়ানহে মডিউল ক’ক্ষপথে পাঠানো হয়।

যু’ক্তরাষ্ট্রের প্রতির’ক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের কয়েক ঘ’ণ্টা আগ পর্যন্ত এটা বলা সম্ভব হবে না যে ঠিক কোন অংশ দিয়ে এট পৃথিবীতে প্রবেশ করবে। তবে এর ট্র্যাকিংয়ের আপডেট ওয়েবসাইটে জানিয়ে দেওয়া হবে। এদিকে এটা পৃথিবীর কোথায় আছড়ে পড়বে তা জানা না গেলেও এই অংশটি কোনো মহাসাগর বা নির্জন এলাকায় আছড়ে পড়তে পারে বলে মনে করেন হার্ভা’র্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাস্ট্রোফিজিক্স সেন্টারের একজন অ্যাস্ট্রোফিজিসিস্ট জনাথন ম্যাকডোয়েল।

এর আগে ২০২০ সালের মে মাসে চীনের আরেকটি ‘লং মা’র্চ ৫বি’ রকে’টের খণ্ডাংশ আইভরি কোস্টে পড়েছিল; তখন কয়েকটি ভবন ক্ষ’তিগ্র’স্ত হলেও তাতে কেউই আ’ঘাত পায়নি বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন ম্যাকডোয়েল। মা’র্কিন ১৮ মহাকাশ নিয়ন্ত্রণ স্কোয়াড্রন মহাকাশে থাকা ২৭ হাজারের বেশি মনুষ্যনির্মিত বস্তুর গতিপথে নজর রাখে, যার বেশিরভাগই কক্ষপথের নিচের অংশে পৃথিবীর কাছাকাছি আছে বলে জানিয়েছে মহাকাশ কমান্ড।