প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

রোজিনাকে নিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা?

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

১৭ মে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় রোজিনা নি;পী;ড়নের ঘটনাটি অনা;কাঙ্ক্ষি;ত, দুর্ভা;গ্যজ;নক এবং অ;মা;র্জনীয়। ওই ঘটনার পর তাকে শাহবাগ থানায় নিয়ে যাওয়া এবং আদালত থেকে তাকে জে;লে পাঠানো ছিল সম্পূর্ণ অ;নৈ;তিক এবং গর্হি;ত একটি কাজ এ ব্যাপারে কোন স;ন্দেহ নেই। কিন্তু এই ঘটনাটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এটি শুধুমাত্র স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংসদের মন্ত্রী, সচিব এবং কিছু দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকর্তা-কর্মচারীর অতি উৎসাহের ফসল, এটি নিয়ে কোন সন্দে;হ নেই। কারণ এই ঘটনার পর সরকার এই ঘটনাকে ডিফেন্ড করেনি, এই ঘটনাকে প্রশ্রয় দেয়নি। বরং এটি যেন আর না বাড়ে, দ্রুত যেন রোজিনা মুক্তি পায় সেজন্য সরকারের দিক থেকে যা যা করা দরকার সব করেছে।

সরকার স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং মন্ত্রণালয়ের পক্ষে গিয়ে দাঁড়ায়নি। বরং সরকারের মন্ত্রীরা বিশেষ করে তথ্যমন্ত্রী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী এবং সর্বশেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন তা সবই সাংবাদিক রোজিনার প্রতি সহা;নুভূ;তিশীল এবং সহ;মর্মি;তাপূর্ণ। আর এ কারণেই এটি যে একটি সরকারি সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ঘটে নি তা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত। আর এই বাস্তবতার থেকেই আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে যে, রোজিনার ঘটনাটাকে যেন কেউ অন্য খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা না করে।

রোজিনার ঘটনার পর আমরা দেখছি যে, একটি পেশাগত ঝুঁকি যেকোনো পেশায় হতে পারে। তাকে নিয়ে অনা;কা;ঙ্ক্ষিত নোং;রা খে;লার চেষ্টা চলছে। বিশেষ করে বিদেশে থাকা কিছু তথাকথিত গণমাধ্যমকর্মী যারা সাংবাদিকতার মূলধারার সঙ্গে কখনোই ছিলেন না, তারা এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে সরকার রাষ্ট্র;যন্ত্রের বিরু;দ্ধে অনা;কাঙ্ক্ষি;ত বক্তব্য দিচ্ছে। যেকোনো বিষয় নিয়ে সরকারকে আক্রমণ করার একটি পুরনো কৌশল কারো কারো মধ্যে দেখা যায়। এই কৌ;শলটি একেবারেই অনা;কাঙ্ক্ষিত এবং দায়িত্বজ্ঞা;নহীন।

আমরা লক্ষ্য করছি যে, এই ঘটনার পর তি;লকে তাল বানানোর চেষ্টা চলছে এবং অনেকে ঘোলা পানিতে মাছ শিকা;রের চেষ্টা করছে। বাংলাদেশের কিছু সুযোগ-সন্ধানী ব্যক্তি দেশে এবং দেশের বাইরে যেকোনো ইস্যুতে অমা;র্জিত দায়িত্বজ্ঞানহীন কথাবার্তা বলেন। তারা দেশে তথাকথিত বুদ্ধিজীবী হিসেবে যেকোনো বিষয়ে রাষ্ট্র সরকারকে জ;ড়িয়ে ফেলেন। রোজিনা গ্রে;ফ;তার হওয়ার পর অনেকের মধ্যে একই প্রবণতা দেখা দিচ্ছে। এটি নিয়ে একটি সরকারবি;রোধী মনোভাব তৈরি করার চেষ্টা চলছে। বিশেষ করে রোজিনা যে সংবাদপত্রে কাজ করছেন সেই সংবাদপত্রটি রোজিনা আক্রান্ত হওয়ার ৬ ঘণ্টায় তার খোঁজ নেয়নি, রোজিনা যখন থানায় গেছে তখন তার খোঁজ নেয়নি। এখন এটি নিয়ে সরকারকে বেকা;য়দায় ফেলার এক নোং;রা খেলায় নেমেছেন। রোজিনা যেন তাদের দাবার গু;টি হয়েছে যে দাবার গুটি দিয়ে তারা কি;স্তিমাত করতে চায়। রোজিনার ইস্যুকে নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এবং দেশের ভেতর সরকার বিরো;ধী প্রচা;র;ণার অ;স্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি খুবই দুঃখ;জনক এবং দুর্ভা;গ্যজনক।

রোজিনার ঘটনাটি ঘটেছে পেশাগত কাজে, পেশাগত ঝুঁকির অংশ হিসেবে। যেকোনো পেশায় এই ঘটনা ঘটতে পারে। কিন্তু তাকে কেন্দ্র করে কেউ যদি অন্য মতলব হাসিল করতে চায় সেটা হবে আরেকটি সং;কট এবং আরেকটি দু;র্ভাগ্য;জনক ঘটনা।