সৃজিতের একটা পোস্ট। আর তাতেই তার অভিনয় কেরিয়ার নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে সোশ্যাল মাধ্যমে।ঘটনা কী? জানা গিয়েছে। সোমবার একটি ছবি সোশ্যাল মাধ্যমে পোস্ট করেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়। যেখানে দেখা গিয়েছে রুদ্রনীল ঘোষকে। ওই লুকটি তার ভিঞ্চি দা সিনেমার লুক। সেই ছবির উপরে লেখা ‘অন্যকে রগড়াতে গিয়ে নিজেই কখন রগড়ে যাবেন আপনি ধরতে পারবেন না’। পাশে দিলীপ ঘোষের ছবি দেওয়া।
ভিঞ্চি দা ছবির সেই ভাইরাল হওয়া ‘ধরতে পারবেন না’ ডায়লগ নিয়েই ওই মিম। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির ভিত্তিতে এই পোস্ট তা স্পষ্ট। ভিঞ্চি দা ছবিতে প্রস্থেটিক মেক আপ আর্টিস্টের অভিনয় করে মন কেড়েছিলেন রুদ্রনীল। সেই রুদ্রনীল ঘোষ রাজনৈতিক ময়দানে একের পর এক ‘রূপ’ বদলে বিজেপিতে যোগ দিয়ে প্রার্থী হয়ে হেরে গিয়েছেন। সেই বিষয়টি দিলীপ ঘোষের বিতর্কিত মন্তব্য ‘শিল্পীদের রগড়ে দেব’র সঙ্গে মিশিয়ে দুজনকেই কটাক্ষ করে বানানো মিম শেয়ার করেছেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়।
সৃজিতের যথেষ্ট প্রিয় এবং কাছের অভিনেতা রুদ্রনীলকে নিয়ে এমন পোস্টে নেটপাড়ায় স্বাভাবিক ভাবেই হইচই পরে গিয়েছে, কারন সৃজিত খুব একটা রাজনৈতিক পোস্ট শেয়ার করেন না। তার উপর এমন একটি রাজনৈতিক পোস্ট তিনি শেয়ার করেছেন যে তার সহকর্মী রুদ্রনীল ঘোষের সম্পুর্ন বিরুদ্ধে এবং তার ছবি দিয়ে ওই পোস্ট।
তবে কি রুদ্রর অভিনয় কেরিয়ারে চাপ তৈরি হতে পারে? এমন প্রশ্ন করেন অনেকেই। কারন এখন টলিউড রাজনৈতিকভাবে ভাগ হয়েছে। রুদ্রনীলের যারা খুব কাছের সেই রাজ চক্রবর্তী, কাঞ্চন মল্লিক, দেব সবাই তৃণমূল ক্যাম্পে। ঘটনা হল এরা তাকে নিয়ে এমন কিছু এখনও বলেননি। যা হয়েছে টিভির পর্দায়, রাজনৈতিক ‘ঝগড়া’। কিন্তু সৃজিতের মতো সুপারস্টার পরিচালক এমন সোজাসুজি পোস্ট করায় রুদ্রের কেরিয়ার বিপাকে পড়তে পারে বলে অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এর উত্তর দিয়েছেন সৃজিত। তিনি বলেছেন, ‘রুদ্রনীল খুব ভালো অভিনেতা। খুব ভালো গল্প লিখতে পারে। আমার খুব ভালো বন্ধুও। ব্যস্ততা মিটলে, ভিঞ্চি দা টু নিয়ে বসতে হবে’ ।
এদিকে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় গতকাল ভোটের রেজাল্ট বেরোবার পরেই ওইদিনটি রগড়ানো দিবস হিসাবে পালিত হওয়ার আর্জি জানিয়ে টুইট করেন। তাতে আবার সহমত প্রকাশ করেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়।













































