করো’না মহামা’রিতে বিপর্যস্ত ভা’রতের রাজধানী দিল্লি এখন অনেকটাই মৃ’ত্যুপুরী। শহরের বিভিন্ন শ্মশানে মা’রা যাওয়া ব্যক্তিদের মৃ’তদেহের দীর্ঘ লাইন। সৎকার করতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অ’পেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেক সময় শ্মশানের দরজায় দরজায় ঘুরে জায়গা না পেয়ে শুধুমাত্র বরফ চাপা দিয়ে বাড়িতে মৃ’তদেহ রেখে দিচ্ছেন অনেকে।
ভা’রতীয় গণমাধ্যম দ্যা হিন্দুর খবরে বলা হয়, তবে এসব ঘটনাকে ছাপিয়ে গেছে দিল্লির রাস্তায় পড়ে থাকা ম’রদেহ কুকুর ছিঁড়ে খাচ্ছে এমন একটি ম’র্মা’ন্তিক দৃশ্যের ছবি। শ্মশানে সৎকারের অ’পেক্ষায় রাস্তায় লাইনে থাকা একটি মৃ’তদেহ ছিঁড়ে খাচ্ছে কুকুর। গত রোববার ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লির গাজিয়াবাদের হিন্দোন শ্মশান ঘাটের সামনে।
খবরে বলা হয় মৃ’ত ওই ব্যক্তি দিল্লির গাজিয়াবাদ জে’লার জজ আ’দালতে চাকরি করতেন। গত বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) তিনি করো’নায় আ’ক্রান্ত হন। পরে শ্বা’সক’ষ্ট শুরু হলে তাকে হাসপাতা’লে ভর্তি করা হয়। একপর্যায়ে হাসপাতা’লে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা’রা যান ৫১ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি।
তার এক সহকর্মী জানান, বৃহস্পতিবার করো’না শনাক্ত হওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শনিবার সন্ধ্যায় মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। কিন্তু হাসপাতা’লে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন গভীর রাতে তিনি হৃদরোগে আ’ক্রান্ত হন এবং রাত একটার দিকে ম’রা যান। পরে পিপিই কিট পরিয়ে মৃ’তদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে হাসপাতাল।
পরদিন সকাল ৮টার দিকে মৃ’তদেহ সৎকারের জন্য গাজিয়াবাদের হিন্দোন শ্মশানে নেওয়া হয়। কিন্তু বিপুল সংখ্যক মানুষের মৃ’ত্যুর কারণে তখন শ্মশানের সামনে অনেক লম্বা লাইন। বাধ্য হয়েই অন্য মৃ’তদেহ লাইনে রাখা হয়। সেখানেই একটি কুকুর তার ম’রদেহ ছিঁড়ে খাওয়া শুরু করে। তীব্র গরমের কারণে ওই ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা পাশেই একটি ছাউনির নিচে থাকলেও বিষয়টি তারা খেয়াল করেননি।













































