প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

রাতেও মানুষের ঢল নেমেছিল শিমুলিয়ায়

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে রোববার (৯ মে) রাতের জনস্রোত যেন দিনের বেলায় ঈদে ঘুরমুখো মানুষের ঢলকেও হার মানিয়েছিল। এসব মানুষ পারাপার করতে ১৫টি ফেরি সচল করেও কুলিয়ে ওঠা যাচ্ছিল না বলে জানায় ঘাট কর্তৃপক্ষ।

ফেরিঘাটে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা মো. জিয়া জানান, রাত সাড়ে ১২টায় ফেরি কুঞ্জলতা শিমুলিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে যায়। মানুষের এত চাপ যে, এই ফেরিতে শুধু চারটি ছোট গাড়ি নিতে পেরেছে, আর সবই মানুষ। গাদাগাদি অবস্থা। এর আগের ফেরি ফরিদপুরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়, সেটিতেও মানুষ আর মানুষ।

তিনি বলেন, রোববার রাত ২টার দিকে শিমুলিয়া ঘাটে পারাপারের অক্ষোয় ছিল ছোট আকারের প্রায় ২০০ যান। একই সময়ে অপেক্ষায় ছিল চার শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান। দিনভর ফেরি প্রায় বন্ধ থাকার পর এর আগে রাত সাড়ে ৭টার দিকে ফেরি চলাচল শুরু হয়। প্রথমেই পারাপার করা হয় অ্যাম্বুলেন্স।

প্রসঙ্গত, রোববার সকাল ১০টা পর্যন্ত মাত্র ২টি ফেরি শিমুলিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে যায়। এরপর দীর্ঘ সময় ফেরি বন্ধ থাকায় ঘাটে ও চেক পোস্টে আটকে ছিল অন্তত ৪০টি অ্যাম্বুলেন্স ও লাশবাহী গাড়ি। পদ্মা পাড়ি দেয়ার জন্য আকুতি করছিলেন তারা। তবে দিনের বেলায় কোনোভাবেই আর ফেরি চলাচল করবে না বলে জানায় বিআইডব্লিউটিসি।

জরুরি যানবাহনও বিকল্প পথে চলাচলের জন্য অনুরোধ করেন মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার। সে অনুরোধ উপেক্ষা করেই হাজার হাজার মানুষ কয়েক গুণ বেশি ভাড়া দিয়েও ফেরিঘাটে গিয়েছেন।