মাটি খুঁড়ে পাওয়া পিতলের কলসি থেকে উ’দ্ধার হল রুপোর প্রাচীন মুদ্রা। পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জে’লার কুশমণ্ডি থা’নার এক নম্বর আকচা গ্রাম পঞ্চায়েতের পরমেশ্বরপুর গ্রামের এই ঘ’টনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
খবর পেয়ে লুট হওয়ার হাত থেকে ওই কলসি ও কিছু মুদ্রা উ’দ্ধার করেছে পু’লিশ। স্থানীয় সূত্রে জা’না গিয়েছে, কিছুদিন আগে বাবাকে নিয়ে কুশমণ্ডির পরমেশ্বরপুর গ্রামে দিদির বাড়িতে ঘুরতে আসে নদিয়া জে’লার বিশাল বৈশ্য। তারপর থেকে প্রায় প্রতিদিনই সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্র জামাইবাবু রামধন সরকারের স’ঙ্গে গ্রামের জলাতে যেত।
মাঠ থেকে কাটা পাটগাছ জলে ভিজিয়ে দিয়ে ফের ফি’রে আসত দিদির বাড়ি। রবিবারও একই কাজ ক’রতে গিয়েছিল সে। কিন্তু, আজ জলাতে পাটগাছ ভেজাতে দেওয়ার সময় পাশে একটি উঁচু জায়গায় নজর যায় বিশালের। তারপর সেখানে কিছু আছে মনে করে জায়গাটা খুঁড়তে শুরু করে। কিছুক্ষণ খোঁড়ার পরেই বেরিয়ে পরে একটি পিতলের কলসি।
তার চারদিকে মাটি লে’গেছিল। মাটি ভরতি সেই কলসটি কাছে একটি গাছে ছুঁড়ে মা’রে সে। এরপর কলসিটি ভে’ঙে বেরিয়ে পরে অসংখ্য রুপোর মুদ্রা। বিষয়টি চোখে পড়তেই এগিয়ে আসে স্থা’নীয় মানুষ। তারপর অবাধে চলতে থাকে লুটপাট। বিষয়টি নিয়ে শোরগোল শুরু হতেই খবর দেওয়া হয় পু’লিশকে। পরে পু’লিশ এসে ওই কলসি ও কিছু মুদ্রা উ’দ্ধার করেছে।
পাশাপাশি বিশাল নামে ওই কিশোরকে থা’নায় নিয়ে গিয়ে বিষয়টি জা’নার চেষ্টা করছে পু’লিশ।এপ্রস’ঙ্গে বিশাল বলে, তাকে অনেকদিন ধ’রে রাতে এক বৃ’দ্ধ স্বপ্নাদেশ দিচ্ছিল। বলছিলেন, ওই জলার ধারে একটি কলসি আছে। সেটি নিয়ে যেতে। আজ সে জামাইবাবুর স’ঙ্গে পাটগাছ ভেজাতে গিয়েছিল।
সেসময় আচ’মকা চোখ যায় পাশে থাকা একটি উঁচু ঢিবির দিকে। এরপর কৌতূহলের বশে মাটি খুঁড়তে শুরু করি। তখনই বেরিয়ে পরে কলসি। সেটির গায়ে মাটি লে’গে থাকায় পাশের একটি গাছে ছুঁড়ে মা’রি। তখন কলসিটা ফেটে গিয়ে তার ভি’তরের রুপোর মুদ্রা বাইরে বেরিয়ে পড়ে।
পু’লিশ সূত্রে জা’না গিয়েছে, ওই কলসির মধ্যে থেকে ৪৬টি রুপোর কয়েন উ’দ্ধার হয়েছে। কলসিটা ভা’ঙার পর বহু প্রাচীন ওই কয়েন অনেকে লুটও করে নিয়েছে। সেগু’লি উ’দ্ধারের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি কিশোরটিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘ’টনাটি বোঝার চেষ্টা চলছে।













































