বসুন্ধ’রা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের বান্ধবী মোসারাত জাহান (মুনিয়া) পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তেন, তিনি করতে পারেন না বলে দাবি করছেন তার বড় বোন নুসরাত জাহান।
তিনি বলেন, যদি মুনিয়া আত্মহ’ত্যা করেও থাকে তাহলে হয়তো তাকে খুব অ’পমানজনক কিছু বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও দেশবাসীর কাছে বোনের অ’পমৃ’ত্যু এবং এই ঘটনার সঙ্গে জ’ড়িতদের বিচার চেয়েছেন নুসরাত।
গুলশান-২ এর একটি ফ্ল্যাট থেকে গতকাল মঙ্গলবার মুনিয়ার ঝুলন্ত মৃ’তদেহ উ’দ্ধার করে পু’লিশ। এ ঘটনায় ওই তরুণীর বোন নুসরাত জাহান বাদী হয়ে গুলশান থা’নায় আত্মহ’ত্যায় প্ররোচনার অ’ভিযোগে বসুন্ধ’রা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরকে আ’সামি করেন। এরপরই গণমাধ্যমের কাছে মুখ খোলেন নুসরাত জাহান। এক ভিডিও সাক্ষাতকারে ছোটবোন মুনিয়ার সঙ্গে তার শেষ কথোপকথন ও বসুন্ধ’রা গ্রুপের এমডির সঙ্গে মুনিয়ার প্রে’মের স’ম্পর্কের বিষয়ে বিস্তারিত জানান তিনি।
বিপদের আভাস দিয়েছিলেন মুনিয়া- একথা উল্লেখ করে নুসরাত জানান বলেন, ‘সোমবারে সকাল বেলায় কথা হয়েছে লাস্ট। সোমবার যে কথা হয়েছে, আমাকে ফোন করে, ওর ফোনের কা’ন্নায় আমা’র ঘুম ভাঙে, ও ফোন দিয়া বলে আমাকে ধোকা দিয়েছে, আপু আনভীর আমাকে ধোকা দিছে। সে আমায় বলে আপু আমি অনেক বিপদে আছি, অনেক বিপদে আছি তুমি তাড়াতাড়ি বাসায় আসো। আমি তাকে বুঝাই, বলি তুমি একটু রেডি হও, তোমাকে আপু এসে নিয়ে যাচ্ছি। কুমিল্লা নিয়া আসব, পরে বলে যে আমি তো তোমা’র সাথে অ’ভিমান করে চলে আসছি, এখন কী’ভাবে আসব। ওর লজ্জা কাজ করছিল তো আমি ওকে নরমাল করি। ১১টার দিকে সে আমায় কল করে বলে আপু আমা’র অনেক বিপদ তুমি কখন আসবা যেকোন সময় কিছু একটা হয়ে যাবে আপু।’
তিনি আরও বলেন, ‘যাওয়ার পর ওরে অনেকবার কল করেছি ও ধরেনি। সেখানে গিয়াও ওরে যখন পাচ্ছিলাম না তখন বাসার মালিকের ওয়াইফকে কল করি। সে জানায় এক্সট্রা কোনো চাবি নাই। পরে মালিক আমাকে পরাম’র্শ দেন মিস্ত্রি এনে তালা ভাঙার। যখন তালা ভাঙতেছি তখনো ওর কোনো আলাপ না দেখে আম’রা ভ’য় পাই। ও কোনো রেসপন্স করতেছে না, আম’রা ভ’য় পাচ্ছি কি হচ্ছে কি হচ্ছে, তালা ভেঙে দেখি ও ঝুলন্ত। এরপর পু’লিশকে কল করি, ইফতারের পর পু’লিশ আসে।’
নুসরাত বলেন, ‘পু’লিশ আসলে উপরে যাই, যাওয়ার পর দেখলাম ও ঝুলন্ত অবস্থায় আছে কিন্তু তার পা বিছানায়। পা দুটা হালকা বিছানায় বাঁকা। বিছানা খুব পরিপাটি ছিল, বিছানায় যদি সেই শুইতো বা উঠে দাঁড়াতো একটু সিন্ড্রম, মানে খুব পরিপাটি ছিল। একটা সিট ছিল সেটাও পরিপাটি ছিল। পরে পু’লিশ ওরে নিচে নামায়।’
মুনিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি জানিয়েছে বড় বোন বলেন, ‘দুই মাস আগে আমা’র সাথে বাকবিতণ্ডা হয়। আমি পাঁচদিন কথাও বলি নাই। সে ঢাকায় যাবে, সে বাসা নেবে। ইন্টার পরীক্ষাও দিবে আমাকে খুশি করতে বলছে। আনভীর ওকে বিয়েও করবে। বলতেছে আপু এটা কাউকে বলা যাবে না, আনভীর নিষেধ করছে। আমি বলছি এটাতো আমি রাজি না, এটা হয় না। এটা কী’ভাবে হবে? বলে যে না কিছুদিন গো’পন রাখতে হবে বলছে, বিয়ে করে। বিয়ে করে পরে বাইরে নিয়ে স্যাটেল করবে। আমি পারিনি… আনভীরকে সে অনেক ভালোবাসতো।’













































