এদের মধ্যে শুক্রবার ভোররাত ১টা থেকে ভোর ৬টার মধ্যে ১৩ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে গোয়ার সাবেক উপ-মুখ্যমন্ত্রী বিজয় সারদেশাই জানিয়েছেন। ওই কয়েক ঘণ্টাকে ‘সঙ্কটজনক অন্ধকার সময়’ বলে বর্ণনা করেছেন তিনি।
এর আগে বৃহস্পতির প্রথম প্রহরে গোয়ার বৃহত্তম এই কোভিড হাসপাতালে আরও ১৫ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছিল। তার আগের দিন বুধবার ২০ জনের এবং মঙ্গলবার ভোররাত ২টা থেকে ভোর ৬টার মধ্যে ২৬ রোগীর মৃত্যু হয়েছিল।
গোয়ার বিজেপি দলীয় মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত বলেছেন, চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত অক্সিজেন প্রাপ্তি ও সরবরাহের মধ্যে যে ফাঁক তৈরি হয় তা ‘কিছু ঘটনার কারণ হতে পারে’।
তিনি এসব ঘটনার বিষয়ে দেশটির উচ্চ আদালতের তদন্ত চেয়েছেন। ভারতের উচ্চ আদালত ইতোমধ্যেই মহামারীর ব্যবস্থাপনা নিয়ে দায়ের করা অনেকগুলো আবেদনের শুনানি করছে।
গোয়ায় অক্সিজেন সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই বলে জোরালোভাবে দাবি করেছেন সাওয়ান্ত। কিন্তু এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে গোয়ার মুখ্য সচিব পি গোয়েলের পাঠানো চিঠির বক্তব্যের বিপরীত সাওয়ান্তের এই দাবি।
বার্তা সংস্থা পিটিআইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই চিঠিতে গোয়েল বলেছেন, মহারাষ্ট্রের কোলহাপুর থেকে বরাদ্দ ১১০ মেট্রিক টন অক্সিজেনের মধ্যে ১ মে থেকে ১০ মে-র মধ্যে রাজ্যটি মাত্র ৬৬ দশমিক ৭৪ মেট্রিক টন সরবরাহ পেয়েছে।ভারতজুড়ে চলা মহামারী সংকটের মধ্যে কোলহাপুর গোয়ায় চিকিৎসায় ব্যবহৃত অক্সিজেনের প্রায় ৪০ শতাংশ সরবরাহ করে।













































