পৃথিবীর অন্য সব আমের চেয়ে ১৫ গুণ বেশি সু’স্বা’দু ও মিষ্টি এই আম। শুধু সু’স্বা’দু নয়, দামিও বটে। বিশ্ববাজারে একটি মিয়াজাকির দাম প্রায় ৭০ ড’লা’র বা ছয় হাজার টাকা।
একটি আমের গড় ওজন প্রায় ৪০০-৫০০ গ্রাম। অর্থাৎ প্রতি ১০ গ্রাম আমের দাম এক ড’লা’রের মতো।
মিয়াজাকি বা রেড ম্যাঙ্গো বা এগ অব দ্য সান বাংলাদেশে পরিচিত সূর্যডিম আম নামে। বিশ্বের এই সেরা ও দামি আমের উৎপাদন এবার শুরু হতে চলেছে দেশেই। ইতোমধ্যে দেশের বি’ভি’ন্ন স্থানে এ আমের পরীক্ষামূলক চাষ শুরু করেছে কৃষি স’ম্প্র’সা’র’ণ অধিদপ্তর।
সাফল্যও এসেছে এতে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় পাকতে শুরু করেছে এ আম। কৃষি স’ম্প্র’সা’র’ণ অধিদপ্তরের বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উ’ন্ন’য়’ন প্রকল্পের ক’র্মকর্তারা জা’নাচ্ছেন, জাপানিজ এই আম বা রেড ম্যাঙ্গো উৎপাদনে দেশ অচিরেই স’ফ’ল’তার মুখ দেখবে।
প্রসঙ্গত, শুধু আম উৎপাদন নয়, দিনে দিনে আরও অনেক ফল উৎপাদনে স’ফ’ল’তার উদাহরণ হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। মৌসুমি ফল উৎপাদনে বিশ্বের শী’র্ষ ১০টি দেশের তালিকায় রয়েছে এ দেশ।
অধিদপ্তরের পুষ্টি উ’ন্ন’য়’ন প্রকল্পের পরিচালক ড. মো. মেহেদী মাসুদ বলেন, সূর্যডিম আম চাষে কৃষকরা বেশ আ’গ্র’হী হয়ে উঠছেন। এ প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো- ফলের নতুন নতুন জাত দেশে স’ম্প্র’সা’র’ণ করা। থাইল্যান্ড থেকে আম’রা আমের ১৪টি ভ্যারাইটি নিয়ে এসেছি।
এরমধ্যে ২০১৬ সালে ১৫শ সূর্যডিম জাতের আম দেশের ৭৫টি হর্টিকালচার সেন্টারে মাতৃবাগান হিসেবে রো’প’ণ করা
হয়। প্রায় চার বছর পর রাজধানীর আসাদগেট, মাদারীপুরের মোস্তফাপুর, দিনাজপুর, গোপালগঞ্জে’র কাশিয়ানী ও গাজীপুরের নুরবাগের হর্টিকালচার সে’ন্টা’রে ফল এসেছে এবং পেকেছে।
৫০ শতাংশ গাছে ফল ধ’রেছে জা’নিয়ে ড. মো. মেহেদী মাসুদ বলেন, পাকলে এই আমের রং হয় লাল, পাকার আগে রং থাকে গোলাপি। দামি এই আমের চাষ সারাদেশে ছ’ড়িয়ে দিতে চায় স’র’কা’র।
সেই লক্ষ্যে এক হাজার গাছের কলম করা হচ্ছে। এসব কলম চাষিদের কাছে বি’ত’র’ণের পাশাপাশি তাদের প্রশিক্ষণের ব্যব’স্থা করা হয়েছে।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ফল পাওয়া গেছে। প্রতিটি সেন্টারে আরও বেশি গাছ লা’গানো হবে। বিশেষ করে বাসা-বাড়ির ছাদে এই আমের গাছ লা’গানোর ব্যাপারে আম’রা উৎসাহী করছি। এখনও কলম বিক্রির বিষয়ে কোনো সিদ্ধা’ন্ত হয়নি। তবে সূর্যডিম আমের চারা একশ টাকার বেশি হবে না। তবে সূর্যডিম আমের চারা একশ টাকার বেশি হবে না।
খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজে’লার ধুমনিঘাট এলাকায় কৃষক হ্ল্যাশিমং চৌধুরী প্রথমবারের মতো সূর্যডিম আম চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন। ২০১৬ ও ১৭ সালে এ আমের চাষ শুরু করেন তিনি। ইতোমধ্যে তার ১২০টি গাছে আম
ধ’রেছে। এ ছাড়া খুলনার ডুমুরিয়া ও রাজধানীর ছাদে বেশ কয়েকজন ব্য’ক্তি সূর্যডিম আমের চাষ ক’রেছেন।
হর্টিকালচার সে’ন্টা’রের মাধ্যমে সূর্যডিম আম সারাদেশে কৃষক পর্যায়ে ছ’ড়িয়ে দেওয়ার উদ্যো’গ নেওয়া হবে জা’নিয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক সমকালকে বলেন, জাপানের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে উৎপাদিত এ আম খেয়ে প্রশংসা ক’রেছেন।
জাপান স’র’কা’র ব্রিটিশ রানী ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের এই আম উপহার দেয়। বাংলাদেশে অনেক সে’ন্টা’রে সূর্যডিম
গাছ লা’গানো হয়েছে, উৎপাদনও হয়েছে। তিনি বলেন, স’ম্প্রতি চারটি আম আসাদ গেট থেকে সংগ্রহ করে প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য দেওয়া হয়েছে।













































