কুষ্টিয়া জে’লার কুমা’রখালী উপজে’লার চাপড়া ইউনিয়নের নগর সাওতা গ্রামে জাহাঙ্গীরের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অ’নশ’নরত করেছেন এক কলেজ ছা’ত্রী। কোরআন শরীফ হাতে করে শপথ করেও কথা রাখেনি প্রে’মিক। তাই শেষ পর্যন্ত প্রে’মিকের বাড়িতে ছু’টে গেছেন প্রে’মিকা।
কলেজ ছা’ত্রীর অ’ভিযো’গ, ২০১৮ সালে চাপড়া ইউনিয়নের নগর সাওতা গ্রামের তোজাম্মেল হক এর ছে’লে জাহাঙ্গীর আলমের সাথে মোবাইলের মাধ্যমে প্রথম পরিচয় হয় তার। এরপর থেকে আস্তে আস্তে তাদের মধ্যে প্রে’মের সম্প’র্ক গড়ে ওঠে। বর্তমানে মেয়েটি কুষ্টিয়া সরকারী কলেজে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত এবং জাহাঙ্গীর আলম একই কলেজের অর্থনীতি মাস্টার্সে অধ্যয়নরত। একই সাথে পড়ালেখা করার কারণে সম্প’র্কটা আরো বেশী গভীর হয়। সেই সাথে তাদের মধ্যে একাধিকবার শা’রিরী’ক সম্প’র্কও গড়ে উঠে।
মেয়েটি আরো জানায়, সম্প’র্কের মাঝামাঝিতে এসে মেয়েটির হটাৎ বিয়ে হয়ে যায়। এরপর ছে’লেটির কারণে মেয়েটির আর শশুর বাড়িতে যাওয়া হয়নি এবং গত ১বছর পূর্বে মেয়েটি জাহাঙ্গীরের চা’পে পড়ে ডি’ভো’র্স দিতেও বাধ্য হয়। পবিত্র কোরআন শরীফ স্প’র্শ করে তাকে ছে’ড়ে না যাওয়ার কথা স্বীকার ক’রিয়ে নেয়। জাহাঙ্গীর তাকে বলে, কখনো আমা’র ফোন দীর্ঘ সময় বন্ধ ও যোগাযোগ না করতে পারলে তুমি আমাদের বাড়ি চলে আসবে।
গত বেশ কয়েকদিন যাবৎ জাহাঙ্গীরের সাথে যোগাযোগ না করতে পেরে ৪ মে সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে মেয়েটি জাহাঙ্গীরের বাড়িতে এসে উপস্থিত হয়। এরপর জাহাঙ্গীরের মা ও বড় ভাই শামীম তাকে মে’রে বাড়ি থেকে বের করে দেয় এবং বাটাম দিয়ে মা’র’তে উদ্য’ত হয়। সেই সাথে জাহাঙ্গীরকেও মে’রে বের করে দেওয়া হয়েছে। একপর্যায়ে মেয়েটি জাহাঙ্গীরের বাড়ির সামনে অবস্থান নিলে এলাকার বেশ কয়েকজন গ্রাম্য মাতব্বর এসে ইফতারের পর বিষয়টি সমাধান করে দেবে ম’র্মে পাশের এক আত্মীয়ের বাড়িতে মেয়েটিকে পাঠিয়ে দেয়। এই ফাঁকে জাহাঙ্গীরকে অন্য কোথাও কারোর বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানায় মেয়েটি।
আত্মীয়ের বাড়িতে মেয়েটি অ’পেক্ষা করতে করতে এক সময় ইফতার শেষ হয়ে তারাবীর নামাযও শেষ হয়ে যায়। পরবর্তীতে মেয়েটি মাতব্বরদের একজনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে কোনো সমাধান না পেয়ে পুনরায় রাত দশটার দিকে জাহাঙ্গীরের বাড়ির সামনে অবস্থান নেয়। সে সময় সেখানে কয়েকশ এলাকাবাসী ভিড় জমায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বাঁ’ধ বাজার ক্যাম্পের আইসি, টুয়াইসি সহ পু’লিশের একটি দল উপস্থিত হয়। উপস্থিত এলাকাবাসীরা জানান, সকাল থেকেই না খেয়ে মেয়েটি জাহাঙ্গীরের বাড়ির সামনে অবস্থান করছেন। জাহাঙ্গীরের বাড়ির লোকজন মেয়েটিকে মা’রধ’র’ও করেছে। বিষয়টির সমাধান করা খুব জরুরী বলেও এলাকাবাসী মত প্রকাশ করেছেন।













































