প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

দেয়ালে টাঙানো ছবি দেখে পু’লিশ ধরে নেয় আ;ত্ম;হ;ত্যা;য় বড় প্র’রোচনা আছে

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

বড় ধরনের প্র’রোচনা আছে, এই আশ’ঙ্কা থেকেই মোসারাত জাহান মুনিয়ার মৃ’ত্যুর ঘটনায় আ;ত্ম;হ;ত্যা;য় প্র;রো;চনা;র মা;ম;লা নেয় পু’লিশ। মোসারাতের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পু’লিশ স্বপ্রণোদিত ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করেছে। বৃহস্পতিবার পু’লিশের গুলশান বিভাগের উপকমিশনার সুদীপ কুমা’র চক্রবর্তী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

২৬ এপ্রিল গুলশানের একটি ভাড়া বাসা থেকে মোসারাতের ঝু;ল;ন্ত ম;র;দে;হ উ;দ্ধার করা হয়। পরে পু’লিশ এসে তাঁকে নামায় ও বিছানায় শুইয়ে দেয়। বড় ধরনের বিপদ ঘটতে পারে বলে মোসারাত তাঁর পরিবারকে জানিয়েছিলেন। এই ঘটনায় ওই রাতেই মোসারাতের বোন নুসরাত জাহান বাদী হয়ে বসুন্ধ’রার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আন;ভীরকে আ;সামি ক;রে আ;ত্ম;হ;ত্যা;য় প্র;রো;চ;ণার মা’মলা করেন।

মোসরাতের পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, আ’সামি প্রভাবশালী হওয়ায় তাঁ;কে গ্রে;প্তা;র ক;রা হচ্ছে না। এ ব্যা;পা;রে পু’লিশ কী’’ মনে করে, জানতে চাওয়া হলে পু’লি;শ উপ;কমিশ;নার বলেন, ;ফ্ল্যা;ট থে;কে ম;র;দে;হ; উ;দ্ধা;রে;র প;র ভুক্ত;ভো;গী তরুণীর বোন পু’লিশকে জানানোয় উৎসাহী ছিলেন না, তাঁরা মা;ম;লা করতেও অ’তটা ইচ্ছুক ছিলেন না। বাড়ির মালিক পু’লিশকে জানান। গুলশানের সেই ফ্ল্যাটে গিয়ে দেয়ালে টাঙানো মোসরাতের সঙ্গে

আনভীরের ছবি দেখা যায় এবং কয়েকটি ডায়েরি পায় পু’লিশ। ডায়েরিগুলোয় নোটের’ মতো অনেক কিছু লেখা। এসব দেখে পু’লিশ অনুমান করে, একজন প্রতিশ্রুতিশীল তরুণী মাত্র ২১ বছর বয়সে কোনো কারণ বা প্র’রোচনা ছাড়া করতে পারে না। সে রাতেই পু’লিশ যা যা তথ্য সংগ্রহ করার দরকার, তার সব সংগ্রহ করে এবং তাৎক্ষণিক সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে মা’মলা হয়। ওই রাতে তিনিসহ, গুলশান বিভাগের অ’তিরিক্ত উপকমিশনার, সহকারী কমিশনার, গুলশান থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তাসহ (ওসি) সব কর্মক’র্তা ঘটনাস্থলে ছিলেন। এই মা’মলায় যেন ন্যায়বিচার হয়, সে ব্যাপারে শুরু থেকেই পু’লিশ উদ্যোগী ছিল।