প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

দিনেও ফেরি চলাচল সিদ্ধান্ত

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘ঈদে ঘরমুখো মানুষ লকডাউনের সামান্য শিথিলতার সুযোগ নিয়ে যেভাবে দলবেঁধে গাদাগাদি করে স্বাস্থ্যবিধির কোনরকম তোয়াক্কা না করে এক জে’লা থেকে অন্য জে’লায় যাতায়াত করছে তা একেবারে সুই’সাইড সিদ্ধান্তের শামিল।’ সোমবার ( ১০ মে) দুপুরে দেশের চারটি বর্ডার এলাকার বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মক’র্তাদের সাথে ভা’র্চ্যুয়ালি ভা’রতীয় নতুন ভ্যারিয়েন্ট মোকাবিলায় করণীয় নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ ভা’রতে নতুন ভ্যারিয়েন্টের কারণে প্রতিদিন হাজারো মানুষ মা’রা যাচ্ছে। ভা’রতীয় নতুন ভ্যারিয়েন্টটি এখন নেপালে ছড়িয়ে গিয়ে সেখানে ভ’য়াবহতা সৃষ্টি করেছে। এই ভ্যারিয়েন্ট এখন আমাদের দেশেও চলে এসেছে। এইরকম ক্রিটিকাল সময়ে এই ভাই’রাস দেহে নিয়ে ঈদে ঘরমুখো মানুষ যদি গ্রামে চলে যায়, তাহলে গ্রামে থাকা পরিবার পরিজনসহ গ্রামবাসী গণহারে আ’ক্রান্ত হতে পারে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মতে, শহরাঞ্চলেও মানুষ এখন বেপরোয়া চলাফেরা করছে। ঢাকাসহ দেশের বড় বড় বিভাগীয় শহরে শপিংমল সহ বিভিন্ন যানবাহনে গাদাগাদি করে মানুষ চলাফেরা করছে। এভাবে চলতে দিলে ঈদের পর দেশে ভা’রত-নেপালের মতো ভ’য়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে। একারণে প্রতিটি বর্ডার এলাকার দায়িত্বরত সংশ্লিষ্ট কর্মক’র্তাদের কঠোরভাবে কাজ করতে হবে। বর্ডার এলাকার ভা’রত যাতায়াতকারী ব্যক্তির পরিবারসহ সকল মানুষকে দ্রুত ও বাধ্যতামূলক কোভিড পরীক্ষার আওতায় আনতে হবে। বর্ডার এলাকার কোন যানবাহন নিজ জে’লার বাইরে মুভমেন্ট যেন করতে না পারে সে ব্যাপারে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। দেশের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মক’র্তাদের এক্ষেত্রে প্রয়োজনে আরো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সভায় খুলনা বিভাগীয় কমিশনার জানান, খুলনা বিভাগীয় এলাকায় বর্তমানে ২৭০০ জন ভা’রত যাতায়াতকারী ব্যক্তি হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন।তাদেরকে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হয়েছে। এছাড়া ভা’রত থেকে বন্দর দিয়ে প্রবেশ করা ট্রাক ড্রাইভা’র, হেল্পারদের কোনভাবেই মুভমেন্ট করতে দেয়া হচ্ছে না। কঠোরভাবে তাদের আইসোলেশন ব্যবস্থায় জো’র দেয়া হয়েছে।