প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

জুমার দিনে যে সময় আল্লাহ অবশ্যই দোয়া কবুল করেন

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

আজ শুক্রবার পবিত্র জুমা’র দিন। জুমা’র দিন অ’ত্যন্ত ম’র্যাদাপূর্ণ ফজিলতের দিন। এ দিন দ্বারা আল্লাহতায়ালা ইস’লামকে বিশেষ ম’র্যাদা প্রদান করেছেন এবং মু’সলমানদের জন্য এই দিনটি আল্লাহ তায়ালার বিশেষ দান।

মহান আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন, যখন জুমা’র দিনে নামাজের জন্য আজান দেয়া হয়, তখন তোম’রা আল্লাহর দিকে ধাবিত হও এবং কেনা-বেচা বন্ধ কর এটাই তোমাদের জন্য সর্বোত্তম, যদি তোম’রা জানতে। (সূরা জুমু’আ আয়াত-৯)

এই আয়াত দ্বারা জুমা’র আজানের পর পার্থিব সকল কাজ পরিত্যাগ করে খুতবা ও নামাজের জন্য ম’সজিদের দিকে ধাবিত হওয়া একান্ত কর্তব্য। অনুরূপভাবে জুমায় বিঘ্নতা সৃষ্টি করে এমন কাজ সমূহ হারাম করে দেয়া হয়েছে।এই বিষয়ে রাসূল (সা.) আরো বলেন বিনা কারণে যে ব্যক্তি তিন জুমা ছেড়ে দিবে, আল্লাহতায়ালা তার অন্তরে সিলমোহর লাগিয়ে দেন। অন্য সূত্রে বর্ণিত, এমন ব্যক্তি ইস’লাম কে যেন স্বীয় পৃষ্ঠের পশ্চাতে নিক্ষেপ করল।

এক ব্যক্তি হযরত ইবনে আব্বাসকে (রা.) জিজ্ঞেস করলেন জনৈক ব্যক্তি মা’রা গেছে; সে জুমা’র নামাজ পড়তো না এবং জামাতেও হাজির হতো না। তিনি বললেন, সেই ব্যক্তি জাহান্নামে যাবে।প্রশ্নকারী লোকটি এক মাস পর্যন্ত একই প্রশ্ন করতে থাকলেন এবং ইবনে আব্বাস (রা.) তাকে একই জবাব দিলেন।

হাদিস শরীফে বর্ণিত আছে, ইহুদি-নাসারাদের জুমা’র এই দিনটি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা এতে মত বিরোধ করে। ফলে এ থেকে তারা বঞ্চিত হয়।আর আল্লাহ তায়ালা জুমা’র দিন দিয়ে আমাদের সম্মানিত করেছেন, এবং পূর্ব থেকেই এই দিনটি উম্মতের জন্য নির্ধারণ করে রাখা হয়েছিল। এ উম্মতের জন্য দিনটি ঈদের দিন। সুতরাং আম’রা সকলে অগ্রবর্তী হয়ে গেলাম আর ইহুদি-নাসারারা পিছিয়ে গেছে।

হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূল (সা.) বলেছেন, একদিন হযরত জিবরাঈল (আ.)আমা’র নিকট আসেন, তার হাতে ছিলো সাদা কাচের টুকরা; তিনি বললেন এটি জুমা আপনার রব যা আপনার উপর ফরজ করেছেন।যাতে আপনার জন্য এবং আপনার পর উম্মতের জন্য একটি দলিল হয়।

রাসূল (সা.) প্রশ্ন করলেন, এতে আমাদের জন্য কি আছে? হযরত জিবরাঈল আমীন বলেন, এতে এমন এক সময় রয়েছে, সে সময় কেউ নিজের কোন নেক মাকসূদ পূরণের জন্য দোয়া করলে তা নিঃস’ন্দেহে কবুল হয়।হ’জরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণিত তিনি বলেন- রাসূল (সা.) বলেন অবশ্য জুমা’র দিনে এমন একটা সময় আছে তখন কোন মু’সলিম বান্দা আল্লাহর কাছে কল্যাণকর কিছু কামনা করলে অবশ্যই তাকে তা দেয়া হয়। (বুখারী ৪/৮৫২.মু’সলিম)