আম’রা সকলেই জানি যে আমাদের সমাজে হিজড়াদের একটি অবহেলিত এবং খা’রাপ দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখা হয়। যদি কোনো ঘরে হিজরা জন্ম গ্রহণ করে তবে তাকে অনেক বাধা বিপত্তির সম্মুখীন হতে হয়। নপুংসক রা যেই বাধা-বিপত্তির মধ্যে দিয়ে যায় তা আম’রা ধারণা করতে পারবোনা।
তা সত্ত্বেও, আমাদের দেশে এমন নপুংসকরাও আছেন যারা দেশ ও সমাজে আলাদা পরিচয় তৈরি করেছেন এবং নপুংসক দের জীবনে এগিয়ে যাওয়ার দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, তারা তাদের সামনে উদাহ’রণ হিসাবে দাঁড়িয়েছিলেন যে, নপুংসকও একজন সাধারণ মানুষ।
তাদেরও জীবন বেঁচে থাকার এবং শিক্ষা গ্ৰহনের অধিকার রয়েছে এবং তারাও জীবনে সফল ব্যক্তি হতে পারে। আম’রা এমনই এক নপুংসকে নিয়ে কথা বলতে চলেছি, আম’রা জয়িতা মন্ডল এর কথা বলছি। যিনি দেশের প্রথম নপুংসক বিচারক হয়েছেন। তবে তাকেও সমস্ত বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে এবং তিনি শেষমেষ সাফল্য পেয়েছেন।
এই গল্পটি একজন সাধারন নপুংসক থেকে এক বিচারক হয়ে ওঠার। জয়িতা মন্ডল পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা এবং তিনি দেশের প্রথম (নপুংসক) বিচারক উপাধি পেয়েছেন। জয়িতা তার জীবনে কখনো হার মানেনি এবং তার জন্য তিনি আজ একজন সফল মানুষ হয়ে উঠতে পেরেছেন নিজের জীবনে।
তিনি এখনো অনেক সমাজ সেবামূলক কাজ করেন যেমন বৃদ্ধাশ্রম পরিচালনা করেন আবার রেড লাইট এরিয়ার পরিবারগু’লিকে ও একটি ভালো জীবন দেওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি। তিনি মধ্যপ্রদেশের বাণিজ্যিক শহর নামে পরিচিত ইন্দোর শহরে ট্রেডেক্স আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এসেছিলেন।
তারপরে তিনি কিন্নার সমাজ এবং রেড লাইট অঞ্চলে বসবাসকারী পরিবারগু’লিকে যে সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় সেগু’লি নিয়ে গণমাধ্যমের সাথে কথা বলেছিলেন এবং তিনি যখন রেলওয়ে স্টেশনগু’লিতে রাত কা’টাতেন তখন তার জীবনের কঠিন সময়গু’লি স’ম্পর্কেও বলেছিলেন।তিনি 8 জুলাই 2017 তে লোক আ’দালতে বিচারক হিসাবে নিযু’ক্ত হয়েছিলেন এবং তাঁর নাম চিরকালের জন্য ইতিহাসের পাতায় লিপিবদ্ধ হয়েছে।।













































