সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি মো. সহিদুল ইসলাম বলেছেন- খালেদা জিয়া যে অভিযোগের আসামি, আমার মনে হয় না সেখানে জামিন দিতে কোনো বাধা আছে। এই অভিযোগে তো মৃত্যুদণ্ড হয় না। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির জামিনের ব্যাপারে শিথিলতা আছে। কিন্তু খালেদা জিয়া জামিন পাওয়ার যোগ্য। তিনি জামিন পেতে পারেন।শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘বিশ্ব মানবাধিকার দিবস’ উপলক্ষে হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশ আয়োজিত সেমিনারে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপিপন্থী ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী বলেন, একটা রাষ্ট্র কতটা সভ্য তা বোঝা যায় সেই রাষ্ট্রের মানবাধিকারের সূচক দেখে। কিন্তু দুঃখজনক বাংলাদেশে মানবাধিকার বলতে কিছু নেই। বাংলাদেশে মানুষের স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি নেই। যেখানে মানুষের স্বাভাবিক মৃত্যুর নিশ্চয়তা নেই সেখানে মানবাধিকারের বিষয়টি তো বহুদূর।
তিনি বলেন, সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা লুটেপুটে খাচ্ছে। কিন্তু মিথ্যা মামলায় খালেদা জিয়াকে আটকে রাখা হয়েছে। আজকে প্রতি বছর ৭ লাখ মানুষ বিদেশে চিকিৎসার জন্য যায়। সরকারি দলের একটি ছোট ছেলেও অসুস্থ হলে তাকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। আর খালেদা জিয়ার চিকিৎসা হয় না। এটা কোনো সভ্য দেশে কল্পনাও করা যায় না।
আরও পড়ুন= ১০০ ভাগ পলিস্টার সুতা আমদানির ঘোষণা দিয়ে ২৪৭ বস্তা কেমিক্যাল জাতীয় পণ্য আমদানি করেছে ময়নসিংহের পিএনএন ইন্ডাস্ট্রিজ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। কায়িক পরীক্ষা শেষে পণ্যের চালানটি আটক করেছেন চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের কর্মকর্তারা।কাস্টমস সহকারী কমিশনার শরীফ উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ময়মনসিংহের ওই প্রতিষ্ঠান বন্ড সুবিধায় শতভাগ পলিস্টার সুতা আমদানির ঘোষণা দেয়। ঘোষণা অনুযায়ী ২৫ টন ওজনের চালানটি বন্দরে আসে। যার মূল্য ৩৫ লাখ ৬৪
হাজার ৯৭১ টাকা।গত ৬ ডিসেম্বর আমদানিকারকের পক্ষে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট চট্টগ্রামের রাসেল গার্মেন্টস চালানটি খালাসের জন্য কাস্টম হাউসে বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে।গোপন সংবাদ থাকায় কাস্টম হাউসের অডিট ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) শাখা খালাসকালে কনটেইনারের সামনে উপস্থিত হয়ে প্রাথমিকভাবে ওই চালানে সুতার পরিবর্তে কেমিক্যাল আনার বিষয়টি নিশ্চিত হন।
সর্বশেষ ৯ ডিসেম্বর সিঅ্যান্ডএফ প্রতিনিধির উপস্থিতিতে কনটেইনারটি কিপ ডাউন করে শতভাগ পরীক্ষা করা হয়। যাতে ২৪৭ বস্তা কেমিক্যাল জাতীয় পণ্য পাওয়া যায়। একই সঙ্গে চালানটির সঠিক এইচএস কোড নির্ধারণে নমুনা সংগ্রহ করে কাস্টম হাউসের রাসায়নিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়। রাসায়নিক পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।













































