কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক ঘণ্টার ব্যবধানে করোনা আক্রান্ত মা ফারজানা আক্তার ও তার নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সোমবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। গত ১৭ মে কুমিল্লার বরুড়ার আদ্রা ইউপির হরিশাপুর গ্রামের সোহেল পাটোয়ারীর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ফারজানা আক্তার করোনা আক্রান্ত হয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভর্তি হন।
অবস্থার অবনতি হওয়ায় ১০ দিন ধরে হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। রোববার রাতে তিনি এক ছেলে সন্তানের জন্ম দেন। সোমবার ভোর ৫টার দিকে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় মারা যান ফারজানা। এর এক ঘণ্টা পর সকাল ৬টার দিকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে মারা যায় সদ্য জন্ম নেয়া সন্তান।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. মহিউদ্দিন জানান, করোনায় আক্রান্ত ফারজানা আক্তারের অবস্থা আগে থেকেই খারাপ ছিল। যার কারণে আমরা তাকে আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা করছিলাম। কিন্তু সোমবার ভোর ৫টার দিকে মারা যান তিনি। মায়ের মৃত্যুর এক ঘণ্টা পর সকাল ৬টার দিকে নবজাতক ওয়ার্ডে মারা যায় তার সন্তানটি। তিনি আরো জানান, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও ফেসবুকে লেখা হচ্ছে, শিশুর মৃত্যুর খবর শুনে করোনা আক্রান্ত মায়ের মৃত্যু হয়েছে।
বিষয়টি সত্য নয়, আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে ছিল ফারজানা, তিনি মারা যাওয়ার এক ঘন্টা পর শিশুটি মারা যায়। শিশুটির মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডা. আসিফ ইকবাল জানান, জন্মের পর নবজাতকটির ওজন ছিল মাত্র সাড়ে ৭শ গ্রাম। মাত্র ২৪ সপ্তাহে হওয়ায় নবজাতকটি ‘অপরিণত’ ছিল। কিন্তু আমাদের শত চেষ্টার পরও নবজাতকটি মারা যায়।













































