যখন করো’নাভাই’রাসের দ্বিতীয় ঢেউ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে ভা’রত, যখন দেশটির স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রচণ্ড চাপে, অক্সিজেনের জন্য যখন চলছে হাহাকার, তখন অসহায় আর নিরুপায় মানুষ এমন সব পদক্ষেপ নিচ্ছে।
করো’নাভাই’রাসে আ’ক্রান্ত হয়ে হাসপাতা’লে আশ’ঙ্কাজনক অবস্থায় ছে’লে। হাসপাতাল থেকে জানানো হয়, চিফ মেডিক্যাল অফিসারের কার্যালয়ে পাওয়া যাবে ওষুধ রেমডেসিভির। আর তা শুনেই দৌড়ে সেখানে ছুটে যান মা রিঙ্কি দেবী। কিন্তু সেখানেও দীর্ঘক্ষণ অ’পেক্ষা করে মেলেনি সেই ওষুধ। পরে ওই কর্মক’র্তার পা ধরে ওষুধের জন্য অনুরোধ করেন রিঙ্কি দেবী।
বৃহস্পতিবার ওই ঘটনার একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। ভিডিওতে দেখা গেছে, করো’নায় আ’ক্রান্ত ছে’লের জন্য রেমডেসিভির চেয়ে চিকিৎসকের পা জড়িয়ে ধরেছেন এক মা। ভা’রতের উত্তর প্রদেশের নয়ডায় ঘটনাটি ঘটেছে।
ভা’রতে করো’নাভাই’রাসের সংক্রমণের কারণে দিল্লি, মুম্বাইসহ কয়েকটি শহরের স্বাস্থ্যব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। ভ’য়াবহভাবে তৈরি হয়েছে অক্সিজেন-সংকট। হাসপাতালগুলোতে মিলছে না সিট ও প্রয়োজনীয় ওষুধ। এমন পরিস্থিতিতে গতকাল বৃহস্পতিবার একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে।
ভা’রতীয় সংবাদমাধ্যম জিনিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, মা রিঙ্কি দেবী উপায় না পেয়ে চিফ মেডিক্যাল অফিসারের পায়ে ধরে কাতর অনুরোধ করেন, ‘আমা’র ছে’লে ম’রতে বসেছে, আমায় ওষুধটা দেবেন দয়া করে।’ এ সময় চিফ মেডিক্যাল অফিসার দীপক ওহরি তার প্রেসক্রিপশন দেখেন। কিন্তু রেমডেসিভিরের মজুদ না থাকায় তাকে সাহায্য করতে পারেননি।
ভা’রতে ভ’য়াবহ আকার ধারণ করেছে করো’না মহামা’রি। দেশে বেড়েই চলেছে করো’নায় আ’ক্রান্ত ও মৃ’ত্যুর সংখ্যা। হাসপাতালগুলোতে তৈরি হয়েছে অক্সিজেন সংকট। অক্সিজেন বিপর্যয়ে দেশটিতে বিপুল সংখ্যক মানুষের মৃ’ত্যুও হয়েছে। ভা’রতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার জানিয়েছে, এই মুহূর্তে করো’নায় প্রতিদিন গোটা বিশ্বে যত মৃ’ত্যুর ঘটনা ঘটছে, তার ২৫ শতাংশই ভা’রতের।













































