করো’না আ’ক্রান্তদের শরীরে ঘটছে একপ্রকার ছত্রাকের সংক্রমণ। পরিভাষায় যাকে বলা হচ্ছে ‘মিউকোরমাইকোসিস’। ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ সংক্রমণ নামেও এর পরিচিতি রয়েছে। মূলত ভা’রতে গুজরাট, দিল্লি ও মহারাষ্ট্রে এই রোগে আ’ক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে।
আনন্দবাজার পত্রিকার খবর অনুসারে,এখন পর্যন্ত আহমেদাবাদের বিজে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতা’লে এই রোগে সংক্রমিত ৬৭ জনের সন্ধান পাওয়া গেছে। শেষ ২০ দিনের মধ্যে এই সংক্রমণ ঘটেছে। এদের মধ্যে ৪৫ জনের অ’স্ত্রোপচার করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দৈনিক ৬ থেকে ৭টি অ’স্ত্রোপচার করতে হচ্ছে তাদের। মহারাষ্ট্রে এখনও পর্যন্ত মিউকোরমাইকোসিসে আ’ক্রান্ত হয়ে মৃ’ত্যু হয়েছে ৮ জনের।
আ’ক্রান্ত ২০০ জনের চিকিৎসা চলছে। দিল্লির একটি প্রথম সারির হাসপাতা’লের চিকিৎসকরাও জানিয়েছেন, করো’নার সঙ্গে এই সংক্রমণজুড়ে যাওয়ায় নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে চিকিৎসকদের। দিল্লির স্যার গঙ্গারাম হাসপাতা’লের চিকিৎসক মণীশ মুনজত জানিয়েছেন, ‘আমাদের হাসপাতা’লে শেষ দু’দিনে ৬ জন মিউকোরমাইকোসিস নিয়ে ভর্তি হয়েছেন।
আ’ক্রান্তদের দ্রুত ওজন কমছে, দৃষ্টিশক্তি চলে যাচ্ছে, নাক ও থুতনির হাড়ের ক্ষতি হচ্ছে।’ একই হাসপাতা’লের নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ অজয় স্বরূপের মতে, ডায়াবেটিসে আ’ক্রান্ত যে করো’না রোগীদের স্টেরয়েড দেওয়া হচ্ছে, তাদের শরীরে এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে। এমসের প্রধান রণদীপ গুলেরিয়া এই দাবির সত্যতা স্বীকার করেছেন।
তিনি বলেছেন, ‘করো’নার কারণে মানব শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে আসছে। সেই কারণেই নানা রকম ফাঙ্গাল ও ব্যাক্টেরিয়াল সংক্রমণের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। তার মধ্যে যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে, তাদের শরীরে এই সংক্রমণ ঘটনার সম্ভাবনা আরও বেশি। তার ওপর টানা স্টেরয়েড শরীরে প্রবেশ করার ফলে আরও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা। সেই কারণেই এই ধরনের ফাঙ্গাল সংক্রমণ তৈরি হচ্ছে।













































