সিলেটের সবচেয়ে চা;ঞ্চল্যকর হ;;ত্যাকা;ন্ড রায়হান আহমদ হ;;ত্যাকা;;ন্ডের জ;ট খুলতে শুরু করেছে। আজ বুধবার এই হ;;ত্যা মা;মলার অভি;যোগ;পত্র আদালতে প্রদান করেছে তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে আলোচিত এই হ;;ত্যা মাম;লার অভি;যো;গপত্র ঘোষণার খবরে স্বস্থি প্রকাশ করেছেন রায়হান আহমদের মা সালমা বেগম। অভিযোগপত্রে এসআই আকবরকে প্রধান আ;সামী করে আরো ৪ পুলিশ সহ মোট ৬ জনের বি;রুদ্ধে অ;ভিযোগ আনা হয়।
রায়হান হ;;ত্যার ঘ;টনাক্র;ম: ন;রেরর আখালিয়া নিহারিপাড়ার বাসিন্দা রায়হানকে ১০ অক্টোবর রাতে সিলেটের বন্দরবাজার ফাঁ;ড়িতে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। কাষ্টঘর সুইপার কলোনি থেকে তাকে ফাঁ;ড়িতে তুলে নিয়ে যান এই ফাঁড়ির ইন;চার্জ এসআই আকবর হোসেন ও তার সহকারীরা। এরপর কয়েক ঘণ্টা চলে নির্যা;তন। শেষ রাতে এক পুলিশ সদস্যের মোবাইল থেকে নিজের চাচাকে ফোন করে রায়হান। এসময় তিনি কা;ন্নাজড়িত কণ্ঠে দ্রুত ১০ হাজার টাকা নিয়ে ফাঁ;ড়িতে আসার জন্য চাচাকে অনুরোধ করে। ভোরের ফজরের নামাজের পূর্ব মূহূর্তে টাকা নিয়ে ফাঁ;ড়িতে হাজির হন চাচা। তবে তখন তাকে রায়হানের সাথে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। এরপর ১১ অক্টোবর সকালে আবার চাচা ফাঁ;ড়িতে গেলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অ;সুস্থ হয়ে পড়ায় রায়হানকে ওসমানী হাসপাতপালে পাঠানো হয়েছে। পরে হাসপাতালের ম;র্গে গিয়ে রায়হানের ম;রদে;হ দেখতে পায় পরিবার।
ভিন্নখাতে প্রবাহিতের চেষ্টা: রায়হা;নের মৃত্যু জা;নাজা;নি হওয়ার পর পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, কাষ্টঘর এলাকায় ছিন;তাই;কালে গণ;পি;টুনিতে মা;রা গেছেন রায়হান। পুলিশ লা;শ উদ্ধার করে হাসপাতালের ম;র্গে প্রেরণ করেছে। ব;ন্দুর বাজা;র ফাঁ;ড়ির কর্মকর্তা ও সিলেট মহানগর পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সকাল থেকে গণমাধ্যমে এমন খবরও প্রকাশ হয়।
পরিবার ও এলাকাবাসীর বিক্ষোভ : নগরীতে গণ;পি;টুনিতে ছি;নতাই;কারীর মৃত্যু- বিভিন্ন গণমাধ্যমে যখন এমন খবর প্রকাশ হচ্ছিলো, তখন ভিন্ন তথ্য নিয়ে সামনে আসে নি;হত যুবক রায়হান আহমদের পরিবার ও আখালিয়া এলাকাবাসী।
রায়হানের বাসার সামনে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে তারা জানান, ফাঁ;ড়িতে ধ;রে নিয়ে টাকার জন্য নি;র্যা;তন চালিয়ে রা;য়হানকে হ;;ত্যা করেছে পুলিশ।পরিবারের এমন বক্তব্য গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রকাশ হয়। এতে পর ন;ড়েচড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন। আর পরিবার ও এলাকাবাসীর মাধ্যমে শুরু হওয়া রায়হান হ;;ত্যা;;র বিচার দাবিতে আ;ন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে পুরো সিলেটজুড়ে।
আকবর গ্রে;প্তার: নানা স;মালো;চনা ও তীব্র আ;ন্দো;লনের মুখে গতবছরের ৯ নভেম্বর কানাইঘাট সীমান্ত থেকে আকব;রকে গ্রেপ্তা;র করে সিলেট জেলা পুলিশ। ভারতে পা;লানোর সময় সাদা পোশাকের পুলিশ তাকে আ;টক করে বলে সেসময় জানিয়েছিলেন সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন।
তবে আরেকটি সূত্র জানায়, ভারতের সীমান্তের ভেতরে স্থানীয় খাসিয়ারা আকব;রকে আ;টক করে বাংলাদেশ সীমান্তে নিয়ে এসে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। আকবরকে কানাইঘাট সীমান্তের ওপারে ভারতের একটি খাসিয়া পল্লীতে আট;কের একটি ভিডিও ফে;সবুকেও ছড়িয়ে পড়ে।
আকবরকে গ্রে;প্তা;রের পরদিন ১০ নভেম্বর তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নেয় পিবিআই। এরআগে এই ঘটনায় গ্রে;প্তার অন্য পুলিশ সদস্যদেরও রিমা;ন্ডে নেওয়া হয়। তবে রিমা;ন্ড শেষে তারা কেউই আদালতে স্বী;কারো;ক্তি;মলক জবান;ব;ন্দি দেননি।













































