করো’না সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে এবারও ঈদগাহে বা খোলা জায়গায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত আদায় করা যাবে না। ঈদের নামাজ পড়তে হবে ম’সজিদে। সেইসঙ্গে জামাত শেষে কোলাকুলি এবং পরস্পর হাত মেলানো থেকে বিরত থাকতেও অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।
সোমবার (২৬ এপ্রিল) ধ’র্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাত আদায় সংক্রান্ত জরুরি বি’জ্ঞপ্তিতে এ অনুরোধ জানানো হয়েছে। সেইসঙ্গে বি’জ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের নামাজ আদায়ে ১২টি শর্ত দেয়া হয়েছে।
এবার ঈদের নামাজ আদায়ে যে ১২টি শর্ত মানতে হবে
১. ইস’লামি শরিয়তে ঈদগাহ বা খোলা জায়গায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাত আদায়ের ব্যাপারে উৎসাহিত করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সারা’বিশ্বসহ আমাদের দেশে করো’নাভাই’রাস সংক্রমণ পরিস্থিতিজনিত কারণে মু’সল্লিদের জীবন ঝুঁ’কি বিবেচনা করে এ বছর ঈদগাহ বা খোলা জায়গার পরিবর্তে ঈদের নামাজের জামাত নিকটস্থ ম’সজিদে আদায় করার জন্য অনুরোধ করা হলো। প্রয়োজনে একই ম’সজিদে একাধিক জামায়াত অনুষ্ঠিত করা যাবে।
২. ঈদের নামাজের জামাতের সময় ম’সজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। নামাজের আগে সম্পূর্ণ ম’সজিদ জীবানুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। মু’সল্লিরা প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসতে পারবেন।
৩. করো’নাভাই’রাস সংক্রমণ রোধ নিশ্চিতে ম’সজিদে ওজুর স্থানে সাবান/হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে। ৪. ম’সজিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার/হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান-পানি রাখতে হবে। ৫. প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে ওজু করে ম’সজিদে আসতে হবে এবং ওজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সময় নিয়ে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।
৬. ঈদের নামাজের জামাতে আসা মু’সল্লিকে অবশ্যই মাস্ক পরে ম’সজিদে আসতে হবে। ম’সজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।৭. ঈদের নামাজ আদায়ের সময় কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে অবশ্যই সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে।৮. শি’শু, বয়োবৃদ্ধ, যেকোনো অ’সুস্থ ব্যক্তি এবং অ’সুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি ঈদের নামাজের জামাতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।
৯. সর্বসাধারণের সুরক্ষা নিশ্চিতে, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই প্রতিপালন করতে হবে।১০. করো’নাভাই’রাস সংক্রমণ রোধ নিশ্চিতে ম’সজিদে জামাত শেষে কোলাকুলি এবং পরস্পর হাত মেলানো পরিহার করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
১১. করো’নাভাই’রাস মহামা’রি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে মহান রাব্বুল আল-আমিনের দরবারে দোয়া করার জন্য খতিব ও ই’মাম’দের অনুরোধ করা যাচ্ছে।১২. সম্মানিত খতিব, ই’মাম এবং ম’সজিদ পরিচালনা কমিটি বিষয়গুলো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন
এসব নির্দেশনা লঙ্ঘিত হলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের বি’রুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।প্রা’ণঘাতী করো’নাভাই’রাস সংক্রমণরোধে স্থানীয় প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী, ইস’লামিক ফাউন্ডেশনের কর্মক’র্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট ম’সজিদের পরিচালনা কমিটিকে উপরোক্ত নির্দেশনা বাস্তবায়ন করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে বি’জ্ঞপ্তিতে।












































