ব’জ্রপাতে গত এক সপ্তাহে দেশে মা’রা গেছেন প্রায় ১৩ জন। দিন দিন ব’জ্রপাতে মা’রা যাওয়ার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে জনমনে। তাই ঝ’ড়বৃষ্টির সময় সবাইকে নি’রাপদে ঘরে অব’স্থানের পরাম’র্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
এ প্রস’ঙ্গে জলবায়ু বিশেষজ্ঞ আ’ইনুন নিশাত সংবাদমাধ্যমকে বলেন, এখন যে ব’জ্রপাত হচ্ছে তা খুবই স্বা’ভাবিক। এপ্রিলে বৃষ্টি হয় সাথে ব’জ্রপাতও হয় ঘন ঘন। এটা চলবে পুরো মে মাস পর্যন্ত। এবার যেভাবে গরম পড়ছে সেভাবে বৃষ্টি হচ্ছে না। এখন বাতাসের গতির পরিবর্তন হবে। এরপর মৌসুমী বায়ু আসবে।
ব’জ্রপাত প্রস’ঙ্গে আ’ইনুন নিশাত বলেন, এখন নি’ম্নচা’প হবে। মেঘের নড়াচড়া বেড়ে যাবে। ফলে ব’জ্রপাত বাড়বে। বর্ষা শুরুর আগে ব’জ্রপাতের পরিমাণ কিছুটা বাড়বে।
কীভাবে ব’জ্রপাত থেকে নি’রাপদ থাকা যায় বা নিজেকে নি’রাপদ রাখা যায়? এ প্রস’ঙ্গে আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান খান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, এখন ব’জ্রপাত হবেই। তাই যখনই বৃষ্টি হবে, তখনই ব’জ্রপাত হবে ধ’রে নিতে হবে। ব’জ্রপাত থেকে বাঁচতে হলে নি’রাপদ জায়গায় থাকতে হবে। এই সময় বড় গাছের নিচে থাকাটা সবচেয়ে অনি’রাপদ। কারণ ব’জ্রপাত উঁচু কিছুর ওপরেই আঘা’ত হানে।
শুধু মানুষই নয়, বিপুল পরিমাণ গবাদি পশুও ব’জ্রপাতে মা’রা যাচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে ব’জ্রপাতের প্র’বণতা সবচেয়ে বেশি। এ ছাড়া শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভারতের কয়েকটি অংশকে ব’জ্রপাতপ্রবণ বিবেচনা করা হয়। তবে বেশি হতাহতের ঘ’টনা ঘ’টে আমাদের দেশে।













































