জাতীয় দলের দুই নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহিমের ব্যক্তিগত সুস’ম্পর্ক আগে থেকেই। এর ওপর দুজন আবার ভায়রা -ভাই। এই বন্ধনটা মাঠেও দেখা যায়।
বহু ম্যাচে খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে এনেছে মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ জুটি। দলের ব্যাটিং লাইনআপ যখন বিপদে পড়ছে, তখন মুশফিকের সঙ্গে জুটি বেঁধে ত্রাতা হয়ে আবির্ভূত হচ্ছেন রিয়াদ।এই জুটির খেলা উপভোগ করেন দর্শকরা। তাদের প্রতি আস্থা রাখতে চান টাইগার ভক্তরা।
শ্রীলংকার বিপক্ষে চলমান ওয়ানডে সিরিজের বিগত দুই ম্যাচও মুশফিক-রিয়াদ জুটি দুর্দান্ত খেলেছে।মুশফিকের সঙ্গে দুর্দান্ত জুটি কী’ভাবে হয়ে যায় রিয়াদের, এর র’হস্য কী’? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে মুচকি হাসি দেখা গেল রিয়াদের মুখে।
তিনি জানালেন, এই র’হস্য মহান আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানেন না। তবে ভবিষ্যতে মুশফিকের সঙ্গে আরও বড় বড় জুটি গড়তে চান তিনি।বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক বললেন, ‘আল্লাহই জানেন এ বিষয়ে। আলহাম’দুলিল্লাহ পার্টনারশিপগুলো ভালো হচ্ছে। চাইব আরও যেন অবদান রাখতে পারি দুজন।’তবে ছোট ভায়রা-ভাই মুশফিকের চেয়ে তার ব্যাটিং গভীরতা কম, তা মানেন রিয়াদ। এর অবশ্য কারণও রয়েছে।
মুশফিকের চেয়ে রিয়াদ ব্যাট হাতে ভূমিকা রাখার সুযোগ পান কম। তার ব্যাটিং অর্ডারে স্থানটা শেষের দিকে।বিষয়টি উল্লেখ করে রিয়াদ বলেন, ‘যেহেতু আমি লেট মিডলঅর্ডারে ব্যাট করি, অনেক সময় ৩০-৪০ রান করে আউট হয়ে যাই। আমাকে পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাট করতে হয়। আমি ছয় নম্বরে ব্যাট করি, ওই সময়ে যা দলের জন্য দরকার, সেটি করাই লক্ষ্য থাকে। সঠিক সময়ে দলের জন্য অবদান রাখাই আমা’র লক্ষ্য। আমা’র জন্য এটিই যথেষ্ট। ’জুনিয়রদের সঙ্গেও নিজের অ’ভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
বললেন, ‘লেট মিডলঅর্ডারে আফিফের সঙ্গে আমা’র অ’ভিজ্ঞতা শেয়ার করি। ওই পজিশনে যারা ব্যাট করছে, তারা কী’ভাবে দলের জন্য সেরা ভূমিকা’টা রাখতে পারবে এটা নিয়ে সবসময় নিজের অ’ভিজ্ঞতা শেয়ার করি সতীর্থদের সঙ্গে। আমি নিজেও ভালো খেলার চেষ্টা করি। অনেক সময় পারি, অনেক সময় পারি না। তবে তাড়নাটা সবসময়ই আছে। শেষ ম্যাচে আরেকটা সুযোগ পাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ ভালো করার চেষ্টা করব।’













































