আনভীর মুনিয়া কে নিয়ে বিদেশে স্থায়ী হওয়ার আশ্বা’স দিয়ে ছিল মুনিয়া কে কিন্ত পরে সব কিছু প্রতারনা করেন আনভীরএ সময় ওই ফ্ল্যাট থেকে মুনিয়ার একটি ডাওয়রি জ’ব্দ করে পু’লিশ। ধারণা করা হচ্ছে, এই নডায়েরিতে মুনিয়া তার প্রে’মের কাহিনী লিখেছেন। যা মুনিয়ার বোন মা’মলার এজহারেও উল্লেখ করেছেন।জানা গেছে, মোসারাত জাহান মুনিয়া মিরপুর ক্যান্ট পাবলিক কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। দুই বছর আগে দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকের ছে’লের সাথে তার পরিচয় হয়। এর পর তারা বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে দেখা করতেন। সম্প্রতি গুলশানের একটি ফ্ল্যাট ভাড়া করে সেখানে একাই থাকছিলেন মুনিয়া। এই ফ্ল্যাটের ভাড়া ছিল এক লাখ টাকা।
গতকাল রাতে রাজধানীর গুলশানে অ’ভিজাত ফ্ল্যাট থেকে উ’দ্ধার মোসারাত জাহান মুনিয়ার ময়নাত’দন্ত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতা’লে শেষ হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ময়নাত’দন্তকারী চিকিৎসকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ময়নাত’দন্ত শেষে আজ মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) মুনিয়ার নিথর দেহ নেওয়া হচ্ছে তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। মুনিয়ার মৃ’ত্যুর ঘটনায় নানা ধরনের র’হস্যের জাল সৃষ্টি হয়েছে। মুনিয়ার মৃ’ত্যুর ঘটনায় তার বোন নুসরাত জাহান বাদী হয়ে এক শিল্পপতিকে আ’সামি করে মা’মলা করেছেন।
এজাহারে মা’মলার বাদী নুসরাত বলেন, ২৩ এপ্রিল মোসারাত তাকে ফোন করেন। মোসারাত তাকে বলেছেন, আ’সামি তাকে বকা দিয়ে বলেছেন, কেন তিনি (মোসারাত) ফ্ল্যাট মালিকের বাসায় গিয়ে ইফতার করেছেন, ছবি তুলেছেন। ফ্ল্যাটের মালিকের স্ত্রী’’’’’ ফেসবুকে ছবি পোস্ট করেছেন। এ ছবি আ’সামির স্ত্রী’’’’’ দেখেছেন। আ’সামির স্ত্রী’’’’’ মালিকের স্ত্রী’’’’’র ফেসবুক বন্ধু। এখন সে তার মাকে সবকিছু জানিয়ে দেবেন। তিনি (আ’সামি) দুবাই যাচ্ছেন, মোসারাত যেন কুমিল্লায় চলে যান। আ’সামির মা জানতে পারলে তাকে (মোসারাতকে) মে’রে ফেলবেন।
দুদিন পর ২৫ এপ্রিল মোসারাত তাকে ফোন করেন। ওই সময় তিনি কা’ন্নাকাটি করে বলেন, আ’সামি তাকে বিয়ে করবেন না, শুধু ভোগ করেছেন। আ’সামিকে উদ্ধৃত করে মোসারাত বলেন, আ’সামি তাকে বলেছেন, তিনি (মোসারাত) তার শত্রুর সঙ্গে দেখা করেছেন। মোসারাতকে তিনি ছাড়বেন না।
মোসারাত চি’ৎকার করে বলেন, আ’সামি তাকে ধোঁকা দিয়েছেন। যেকোনো সময় তার বড় দুর্ঘ’টনা ঘটে যেতে পারে। তারা (বাদী নুসরাতের পরিবার) যেন দ্রুত ঢাকায় আসেন।
এজাহার অনুযায়ী, নুসরাত তার আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে দুপুর ২টার দিকে কুমিল্লা থেকে ঢাকায় রওনা দেন। আসার পথে বারবার মোসারাতের ফোনে ফোন করেন, কিন্তু তিনি আর ফোন ধরেননি। গুলশানের বাসায় পৌঁছে দরজায় নক করলে ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে নিচে নেমে আসেন। তারা নিরাপত্তারক্ষীর কক্ষ থেকে বাসার ইন্টারকমে ফোন করেন।
পরে ফ্ল্যাট মালিকের নম্বরে ফোন দিলে মিস্ত্রি এনে তালা ভেঙে ঘরে ঢোকার পরাম’র্শ দেন। মিস্ত্রি ডেকে তালা ভেঙে ভেতরে ঢোকার পর তিনি দেখেন, তার বোন ওড়না পেঁচিয়ে শোয়ার ঘরের সিলিংয়ে ঝুলে আছেন













































