প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

৮ টি খাবার ভুলেও খাবেন না, নষ্ট হবে শরীরের ইমিউনিটি

3
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

সারা বিশ্বে করোনার সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। ভারতেও করোনা ভাইরাস দ্বিতীয় ধাক্কায় অপ্রতিরোধ্য মনে হচ্ছে। রোগীর সংখ্যা দিনে দিনে বাড়ছে, গবেষণা বলছে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, তারা দ্রুত করোনার ভাইরাসের কবলে পড়ছেন। দেখা যাচ্ছে যাদের শরীরের ইমিউনিটি বেশি তাঁরা দ্রুত করোনা জয় করতে পারছেন। ডায়েটের ওপর শরীরের ইমিউনিটি নির্ভর করে। আসুন দেখে নেওয়া যাক এমন কোন কোন খাবার রয়েছে, যা আপনার শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দেয়।

অ্যালকোহল বা ধূমপান – অ্যালকোহল পান বা ধূমপান আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। অতএব, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাজে নেশা ছেড়ে বেরিয়ে আসুন।

ফাস্টফুড- বেশিরভাগ ফাস্টফুড তৈরিতে সুগার (চিনি বা ওই জাতীয় জিনিস) ব্যবহৃত হয় এবং ফাস্টফুডে ফাইবারের পরিমাণ খুব কম থাকে। ফাস্টফুড ধীরে ধীরে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।

কফি – কিছু লোক কফি খেতে খুবই পছন্দ করেন। কিন্তু অনেকেই জানেন না কফিতে থাকা ক্যাফিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। সুতরাং, কফি খাওয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। অল্প কফি খেতে পারেন, কিন্তু এটা অভ্যাস বানিয়ে ফেলবেন না।

প্যাকেটজাত মাংস – প্যাকেটজাত মাংস আপনার অনাক্রম্যতা ব্যবস্থা নষ্ট করতে সক্ষম। কেবল মাংস না, অন্যান্য প্যাকেটজাত খাবারগুলিও আপনার প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে তুলতে পারে। যতদূর সম্ভব প্যাকেটজাত খাবার এড়িয়ে চলুন।

সোডা- সোডা প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দেয়। সোডায় সুগারেরর পরিমাণ খুব বেশি থাকে তাই এই পানীয়টি খাওয়ার আগে দশবার ভাবুন।

প্যাকেটজাত আচার- এটা অনেকেরি প্রিয় খাবার। তবে আপনি সম্ভবত জানেন না, আচারে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম থাকে যা ডিহাইড্রেশন এবং কিডনির সমস্যা তৈরি করতে পারে।

ক্যান স্যুপ – আজকাল বাজারে সিল করা স্যুপ বিক্রি হয়। এগুলি আপনার দেহকে পুষ্টিকর করে তোলার পরিবর্তে প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল করতে কাজ করে। তাই এই ধরণের খাবার এড়িয়ে চলুন।

নোংরা জল – আপনি রান্না করতে যে জল ব্যবহার করছেন, তা পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত হওয়া প্রয়োজন। নোংরা জলে তৈরি খাবার আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করতে পারে।

এছাড়াও এর সঙ্গে সঙ্গে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। নিজেকে শারীরিকভাবে ফিট রাখুন প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন। চাপমুক্ত থাকার চেষ্টা করুন। কারণ মানসিক হতাশা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেয়।