ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম বড় তারকা তিনি। ভারতের ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ে মূখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। তবে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে সফলতার চূড়ায় উঠলেও, খুব বেশি টেস্ট খেলা হয়নি যুবরাজ সিংয়ের।
তাই তো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর এতদিন পরেও সেই আক্ষেপ রয়ে গেছে ভারতীয় অলরাউন্ডারের। ২০১২ সালের পর আর কখনই ভারতের সাদা জার্সিতে দেখা যায়নি যুবরাজ সিংকে। সুদীর্ঘ ক্যারিয়ারে দেশের হয়ে ৩০৪টি ওয়ানডে এবং ৪০টি টি-টোয়েন্টি খেলার পাশাপাশি মাত্র ৪০টি টেস্ট ম্যাচে সুযোগ হয়েছিল এই তারকা অলরাউন্ডারে। সম্প্রতি ভারতের সংবাদ সংস্থা ‘উইজডেন ইন্ডিয়া’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে এক টুইট বার্তায় জানতে চেয়েছিল,
“আপনার মতে ভারতের কোন সাবেক ক্রিকেটার আরও বেশি টেস্ট খেলতে পারতেন?” সেই টুইটের প্রতিউওরে যুবরাজ সিং একাদশের পর্যাপ্ত সুযোগ না পাওয়া নিয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নিজের করা টুইট বার্তায় তিনি লিখেছেন, “আশা করি, আগামী জীবনে! সেসময় হয়তো সাত বছর ধরে আমাকে দ্বাদশ ব্যক্তি হিসেবে দলে থাকতে হবে না।” অনেক ক্রিকেটপ্রেমীর মতেই লাল বলের ক্রিকেটে ভারতীয় দলে একাধিক তারকা থাকায় টেস্ট ক্রিকেটে পর্যাপ্ত সুযোগ পাননি যুবরান সিং।
তবে সীমিত ওভারের ক্রিকেটের তুলনায় টেস্টে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি বাঁহাতি অলরাউন্ডার। পরিসংখ্যান অন্তত তাই বলে। ৪০ টেস্টের ক্যারিয়ারে ৬২ ইনিংস ব্যাটিং করে ৩৩.৯৩ গড়ে সর্বমোট ১৯০০ রান করেছেন যুবরাজ সিং। যেখানে ৭ ইনিংসে শূন্য রানেই সাজঘরে ফিরেছেন তিনি। এই সংস্করণে ১১ ফিফটির পাশাপাশি ৩টি সেঞ্চুরি রয়েছে ভারতীয় অলরাউন্ডারের।













































