পটুয়াখালীর দশমিনায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে কবরের মাটি সরে গিয়ে ৪৬ বছর আগে দা’ফ’ন’কৃ’ত একটি লাশ উদ্ধার হ’য়ে’ছে।এ নিয়ে এলা’কা’য় চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে।লাশ দেখতে ভির জ’মি’য়ে’ছে’ন বিভিন্ন ব’য়’সে’র মানুষ।
সামাজিক যো’গা’যোগ মাধ্যমে ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে লাশের ছ’বিটি।লাশ উদ্ধারের পর আবার দাফনের আগে দো’য়ায় অংশ নিতে বিভিন্ন উপজেলা থেকে ছুটে আসেন শত শত মা’নু’ষ।লাশ উদ্ধারের ঘটনাটি ঘটে উপজেলার
চ’র’ঘূ’ণি এলাকার হা’তে’ম আলী ফকিরের বা’ড়িতে।স’রে’জ’মিনে গিয়ে জানা যায়,গত মঙ্গল ও বুধবারের ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের তাণ্ডবে উপজেলার নদী তীরবর্তী এলাকা ন’দী’তে বি’লী’ন হয়ে যায়।সেই সাথে নদী ভা’ঙ্গ’নে
উপ’জে’লা’র চরঘূণি এলাকায় বড়াগৌরঙ্গ নদীর তীরের হাতেম আলী ফকির বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানও নদীর ভা’ঙ্গ’নে পড়ে।নদীর ভাঙ্গনে ওই এলাকার ফকির বাড়ির পা’রি’বা’রি’ক কবরস্থান ভেঙ্গে লাশের একাংশ বেড়িয়ে
আসে।এ নিয়ে শু’ক্র’বার বি’কেলে থেকে ওই এলাকায় চা’ঞ্চ’ল্য’কর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। লাশের খবর ছড়িয়ে পড়’লে উপজেলাসহ পাশের উপজেলাগুলো থেকে মানুষ একনজর দে’খার জন্য শুক্রবার থেকেই ভির করেন ওই
ওই এলাকায়।এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভা’ইরাল হয়ে যায় লাশের ছবিটি।বিভিন্ন মানুষ ফেসবুকে ছবি’টি আপলোড দিয়ে লাশকে মোমিন বান্দা দাবি করে বি’ভি’ন্ন লেখা পোস্ট করেন।শনিবার সকা’লে ঘটনাস্থলে
গিয়ে কথা হয় ওই বা’ড়ির রবিউল ইসলামের সাথে।তিনি জানান,লাশটি তাদের বাড়ির হাশে’ম ফকিরের।তার দাবি হা’শে’ম ফ’কি’র ৪৫ থেকে ৪৬ ব’ছ’র আগে মা’রা গি’য়ে’ছি’লেন।তিনি আরো জানান,হাশেম ফকির তাদের
বা’ড়ি’র হাতেম আলী ফ’কি’র চি’শতিয়া-এর ভক্ত ও সম্পর্কে চা’চা’তো ভাই ছি’লেন।অন্যদিকে ওই এলাকার ৯০ ব’ছ’রের বৃদ্ধা মো:হাবিবুর রহ’মান(চন্দন মাস্টার) জা’না’ন,মরহুম আ’ই’নুউদ্দিনের ছেলে হাশেম ফকির।
হাশেম ফকির সত্ত’রের বন্যার পরে মারা গে’ছেন।হাশেম ফ’কিরের বাবা আইনউদ্দিন ফকির সত্তরের বন্যার আগে মারা গে’ছে’ন।হাশেম ফ’কি’রেঃর দুই ছেলে খালেক ও বা’রেক।তবে লাশটি হাশে’মের কিনা আমি জানি না।ওই
লা”শ’টি হাশেমের বাবা আ’ই’নু’উদ্দিনের কিনা সেটাও নি’শ্চি’ত নয় বলে তিনি জা’না’ন।তার বক্তব্য অনুযায়ী লা’শটি’র পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।হাশেম ফকিরের ছেলে মো:খালেক জা’না’ন,লাশটি তার বা’বা’র।তিনি
১৯৭৫ সালে দিকে মারা গি’য়ে’ছিলেন।স্থানীয়রা জানান, জৈ’নপুরী পীর সা’হে’বেঃর নির্দেশে লা’শঃটির শরীরের কো’নো অংশ খুলে না দেখে শুধু মি’লাদ দিয়ে শনিবার স’কা’ল সাড়ে ৯টায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা
হয়েছে।রনগোপালদী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এটিএম আ’সা’দু’ল হক নাসির সিকদার জা’নান,লাশ পাওয়ার খবর শো’নার পর তিনি পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছেন।
দ’শ’মি’না কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম মাওলানা রেজাউল
করিম জা’না’ন,আল্লাহর অলি,আল্লাহ তা’লা’র বান্দা, হা’ফে’জ ও ইমাঃনদার ব্যক্তি হলে তাদের একটি পশম প’র্যন্ত মাটি খায় না।আল্লাহওয়ালাদের লাশ আল্লাহ রক্ষা ক’র’তে পারেন।এরকম প্র’মা’ণ আ’মরা আগে অনেক
দেখেছি।দ’শ’মিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো:আল-আমিন জা’না’ন,লাশ উদ্ধারের খবর শু’নেছি।ইসলামের দৃঃষ্টিতে বললে এমন হতে পারে।আবার বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে দেখলে মা’টি’র কারণেও হতে পারে।













































