বাংলা ম্যাগাজিন রিপোর্ট:- বরিশালের হিজলা উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ’স্ত্রোপচার ছাড়াই একসঙ্গে তিন ছে’লেসন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন সেলিনা বেগম (২৮) নামের এক গৃহবধূ। কিন্তু জন্মের ঠিক সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর একইসঙ্গে ওই তিন নবজাতকের মৃ’ত্যু ঘটেছে।
শনিবার (৫ জুন) বিকেল ৪টার দিকে ১০ মিনিটের ব্যবধানে তিন ছে’লে সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন সেলিনা বেগম। রাত সাড়ে ১১টার দিকে ১০ মিনিটের ব্যবধানে তাদের মৃ’ত্যু হয়।
রোববার (৬ জুন) সকাল ১০টার দিকে জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে তাদের দাফন করা হয়। নবজাতকদের মৃ’ত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সেলিনা বেগম হিজলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কালিকাপুর গ্রামের দিনমজুর ফারুক বেপারীর স্ত্রী’।
গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) আনিছ প্যাদা গৃহবধূর স্বজনদের বরাত দিয়ে জানান, সেলিনা বেগম ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। শনিবার দুপুর ২টার দিকে প্রসব বেদনা ওঠে। পরিবারের সদস্যরা হিজলা উপজে’লা সদর রেমেডি নামে একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যান। রেমিডি কর্তৃপক্ষ রোগীর অবস্থা খা’রাপ দেখে দ্রুত বরিশাল মেডিকেলে নিয়ে যেতে বলেন। তবে তাদের কাছে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করার মতো টাকা না থাকায় অদূরে হিজলা উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে বিকেল ৪টার দিকে প্রথম ছে’লে জন্মগ্রহণ করে। এর ৫ মিনিট পরে আরেকটি এবং ১০ মিনিট পরেই তৃতীয় ছে’লেসন্তান জন্ম নেয়।
হিজলা উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শাহরাজ হায়াত জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জন্ম নেয়া তিন নবজাতকের প্রত্যেকের শারীরিক ওজন ছিল স্বাভাবিকের তুলনায় কম। তাছাড়া তাদের শ্বা’সক’ষ্ট ছিল। যে কারণে জন্মের পরপরই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের বরিশাল মেডিকেলে নিয়ে যাওয়ার পরাম’র্শ দেয়া হয়। তবে তাদের মা আশ’ঙ্কামুক্ত ছিলেন।













































