ভালবাসার মানুষটি ম’রে গেলেও ভালোবাসা যে শেষ হয় না, জসীমউদ্দীনের ‘কবর’ তো তারই উদাহ’রণ। ভালোবাসা বাঁচিয়ে রাখতে হয় প্রতিদিনের পরিচর্যায়। অনেকটা গাছের গোড়ায় নিয়মিত জল দেওয়ার মতো করে।
নতুন খবর হচ্ছে, পাবনা শহরের এখানে-সেখানে মাঝেমধ্যেই দেখা মিলত এক দম্পতির। কখনো পত্রিকার দোকানে পত্রিকা কিনতেন, কখনো–বা মিষ্টির দোকানে বসে মিষ্টি খেতেন।
আবার কখনো বাজারের ব্যাগ হাতে হাঁটতে থাকতেন। প্রতিক্ষণ দুজন একসঙ্গে। চলার পথে কখনো হাত ছাড়তেন না একজন অন্যজনের।ভালোবাসার অনুকরণীয় এই যুগল হচ্ছেন পাবনা জে’লা শহরের শালগাড়িয়া মহল্লার এতিমখানা পাড়ার শামসুল আলম (৮০) ও রওশন আরা (৭২)।
যাঁরা ভালোবাসার বন্ধনে একে অ’পরকে আঁকড়ে ধরে কাটিয়ে দিচ্ছিলেন যুগের পর যুগ। তবে তাঁদের আর একসঙ্গে দেখা যাবে না। দীর্ঘ পথচলার অবসান ঘটিয়ে এই যুগলের একজন শামসুল আলম আজ বুধবার ভোরে চিরবিদায় নিয়েছেন।













































