প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

সড়ক পথের চাপ পড়েছে আকাশ পথে

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে দূরপাল্লার বাস, ট্রেন, লঞ্চ চলাচল।তবে সীমিতসংখ্যক অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চালু আছে।ঈদে ঘরমুখো মানুষ তাই ছুটছেন অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের টিকিটের জন্য।যাত্রীদের চাপ সামলাতে বাড়তি ফ্লাইট চালাতে চাচ্ছে দেশি এয়ারলাইন্সগুলো।যদিও এয়ারলাইন্সগুলোকে ছয়টি বিমানবন্দরে ১৮টি ফ্লাইট পরিচালনার সংখ্যা বেঁধে দিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

এদিকে দৌলতদিয়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা যাত্রীবাহী সব ধরনের যানবাহন ফিরিয়ে দিচ্ছেন।এতে শত শত গাড়ির সারির সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাবাজার ঘাটে যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে।এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকা পড়ে আছে জরুরি পরিবহন।অন্যদিকে ফেরিতে উঠতে গিয়ে পদ্মায় একটি মাইক্রোবাস ডুবির ঘটনা ঘটেছে।

ঈদকে কেন্দ্র করে প্রতি বছরই আকাশ পথে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটের চাহিদা বাড়ে।তবে এ বছর সড়ক, নৌ ও রেলপথ বন্ধ থাকায় যাত্রীদের চাহিদাও বেড়েছে কয়েকগুণ।এয়ারলাইন্স ও ট্রাভেল এজেন্সিগুলো জানিয়েছে, প্রতিনিয়ত টিকিটের জন্য যোগাযোগ করছেন যাত্রীরা, কিন্তু চাহিদা অনুপাতে ফ্লাইট না থাকায় টিকিট দিতে পারছেন না তারা।

১০ থেকে ১২ মে পর্যন্ত বিভিন্ন গন্তব্যের প্রায় সব টিকিট ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে।দেশ-বিদেশের বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের টিকিট বিক্রি করে জমজম এয়ার ট্রাভেলস। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকায় প্লেনের টিকিটের চাহিদা অনেক বেশি।কিন্তু সে অনুপাতে ফ্লাইট না থাকায় আমরা টিকিট দিতে পারছি না। ১৩ তারিখ ঈদ হতে পারে, এ হিসাব করে ১০ থেকে ১২ মে পর্যন্ত সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে।’