ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে রেস্তোরাঁ, হাঁটার পথ নির্মাণ এবং সৌন্দর্য বাড়ানোর কাজে গণপূর্ত বিভাগের নির্দেশে কে’টে ফেলা হচ্ছে ৫০ বছরেরও বেশি পুরানো সব গাছ। ইতিমধ্যেই বেশকিছু বড় ও পুরনো গাছ কা’টা হয়েছে।
জানা গেছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সবগুলো প্রবেশপথসহ বিভিন্ন স্থানে অন্তত ৭টি রেস্টুরেন্ট স্থাপন করার কাজ শুরু করেছে গণপূর্ত বিভাগ। তাদের দাবি, নিয়ম মেনেই গাছগুলো কা’টা হচ্ছে।
রাজধানীর ফুসফুস হিসেবে পরিচিত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গাছ কা’টা নিয়ে এরই মধ্যে নানান প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। স্থাপনা শিল্পকর্ম নির্মাণ করে গাছ কা’টার প্রতিবাদ জানিয়েছে চারুকলার একদল শিক্ষার্থী। এছাড়াও উদ্যানে অযথা রেস্তোরাঁ নির্মাণ ও নির্বিচারে গাছ নিধন বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন সংগঠন ও নগরবাসী।
বুধবার (৬ মে) বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের টিএসসি সংলগ্ন গেটে গাছ কা’টার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ‘নোঙর বাংলাদেশ’, ‘স্বাধীনতা উদ্যান সাংস্কৃতিক জোট’, ‘গ্রিন প্যানেট’ নামে তিনটি সংগঠন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে খাবারের দোকান বানানোর নামে প্রকৃতি হ’ত্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এরমধ্য দিয়ে করপোরেট সংস্কৃতির বিকাশ ঘটছে। যার মূলে রয়েছে লুটপাটের অশুভ উদ্দেশ্য। যেখানে পৃথিবীর অন্যান্য দেশে প্রকৃতি বাঁচিয়ে রেখে অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়, সেখানে আমাদের দেশে গাছ কে’টে হাঁটার পথ, খাবারের দোকান বানানো হচ্ছে। একটু চেষ্টা করলেই গাছগুলো বাঁ’চানো যেত।
অবিলম্বে এই প্রকৃতি হ’ত্যার আয়োজন বাতিলের দাবি জানান তারা। মানববন্ধনে বনফুল নামের একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতামূলক গান পরিবেশন করে।
এদিকে মঙ্গলবার (৪ মে) উদ্যানটির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে এক অনলাইন আলোচনা সভায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অযথা রেস্টুরেন্ট নির্মাণ ও নির্বিচারে গাছ নিধন বন্ধ করাসহ ৬ দফা সুপারিশ জানিয়েছে পরিবেশ বাঁ’চাও আ’ন্দোলন (পবা)।













































