প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

‘সরকার অক্সিজেন দিতে না পারুক, অন্তত শ্মশানে জায়গা দিক’

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

করো’না শনাক্ত ও মৃ’ত্যুতে প্রতিদিনই নতুন নতুন রেকর্ড হচ্ছে ভা’রতে। ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই ভেঙে যাচ্ছে আগের রেকর্ড। অ’পর্যাপ্ত জরুরি পরিষেবা আরও বেশি মানুষকে মৃ’ত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন দেশটির সাধারণ মানুষ।

আনন্দবাজার পত্রিকার এক খবরে বলা হয়, কমপক্ষে ২০ ঘণ্টা কে’টে যাচ্ছে লা’শ চিতায় তুলতে। শ্মশানে শ্মশানে ঘুরে সিরিয়াল না পেয়ে স্রেফ বরফ চাপা দিয়ে ৪৮ ঘণ্টারও বেশি সময় বাড়িতে লা’শ রাখতে হচ্ছে। কুকুরের দেহ পোঁতার জায়গা ব্যবহার করা হচ্ছে মানুষকে দাহ করার জন্য। সৎকারের জন্য রাখা সারি সারি লা’শে কুকুরকেও হা’মলা চালাতে দেখা গেছে।

ভা’রতের রাজধানী দিল্লির সুভাষনগরের শ্মশানে করো’নায় মৃ’ত বাবার ম’রদেহ নিয়ে গিয়েছিলেন বছর চল্লিশের মনমিত সিংহ। সংবাদমাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, অ্যাম্বুলেন্স, গাড়ির ভিড় কাটিয়ে শ্মশানে ঢুকতে যাবেন, তার আগেই রাস্তা আ’ট’কালেন এক কর্মী। তিনি জানিয়ে দিলেন, আর দেহ নেওয়া যাবে না। কারণ দাহ করার জায়গা এবং কাঠ নেই। আর সিএনজি চুল্লিতে একসঙ্গে দু’টির বেশি দেহ করা যায় না। তাতেও এক একটি দেহের পিছনে কমপক্ষে ৯০ মিনিট সময় লাগবে। ইতোমধ্যেই লাইনে ২৪টি দেহ রয়েছে। তাই অন্য কোথাও যেতে হবে তাকে। এর পর পশ্চিম বিহার এলাকার একটি শ্মশানে গিয়ে বাবাকে দাহ করেন তিনি।

মনমিত বলেন, ‘সরকার হাসপাতা’লে অক্সিজেন দিতে পারছে না। অন্তত শ্মশানে জায়গা তো দিক, যাতে পৃথিবী থেকে বিদায়টা ঠিকমতো হয়!’

প্রসঙ্গত, করো’নাভাই’রাসে আ’ক্রান্ত ও প্রা’ণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, বুধবার (২৮ এপ্রিল) ভা’রতে ৩ লাখ ৭৯ হাজার ৪৫৯ জনের করো’না শনাক্ত হয়েছে এবং মা’রা গেছে ৩ হাজার ৬৪৭ জন। ভা’রতে করো’নার ইতিহাসে এটিই সর্বোচ্চ আ’ক্রান্ত ও মৃ’ত্যুর রেকর্ড।

আগের দিন, মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) ৩ লাখ ৬২ হাজার ৯০২ জনের করো’না শনাক্ত হয়েছিল এবং মৃ’ত্যু হয়েছিল ৩ হাজার ২৮৫ জনের।