সন্তান প্রে’ম। যার কোনো তুলনা হয় না। এই লকডাউনের মধ্যেও সন্তান প্রে’মের অনন্য নজির রাখলেন ভা’রতের কর্ণাট’কের মেসুর জে’লার কো’প ্পালু গ্রামের আনন্দ। তার ১০ বছরের ছে’লে দীর্ঘ দিন ধরেই অ’সুস্থ। ‘
ওষুধের প্রয়োজন। কিন্তু লকডাউনের জন্য গাড়ি চলছে না। অগ’ত্যা সন্তানের প্রা’ণ বাঁ’চাতে তীব্র গরম ও রোদকে উপেক্ষা করে ৩০০ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে ওষুধ নিয়ে এলেন আনন্দ। তার সন্তান বিশেষভাবে সক্ষ’ম। তার জীবন বাঁ’চাতে আনন্দের এই পরিশ্রমের প্রশংসা করছেন গ্রামবাসীরা।
বিশেষভাবে সক্ষ’ম আনন্দের সন্তানের প্রতিদিন ওষুধ প্রয়োজন হয়। এদিকে লকডাউনের জন্য গণপরিবহণ বন্ধ। আর গরিব বাবার হাতে অ’ত টাকাও নেই যে গাড়ি ভাড়া করে বেঙ্গালুরু যাব’েন ওষুধ আনতে। অগ’ত্যা সাইকেলই ভরসা। তাতে চেপে ৩০০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে ওষুধ নিয়ে আসা।
আনন্দ বলছিলেন, ‘আমা’র ছে’লে যে ওষুধ খায় তা এখানে পাওয়া যায় না। অথচ প্রতিদিন তার ওষুধ দরকার। চিকিৎসকরা বলেছেন নিয়মিত ওষুধ খাওয়ালে ১৮ বছর বয়সে ও অন্যদের মতো স্বাভা’বিক হবে। তাই দেরি না করে সাইকেল নিয়েই বেঙ্গালুরু রওনা দিই।’
টানা তিন দিন সাইকেল চালিয়ে কোম’র’ে অ’সম্ভব ব্যথা নিয়ে সন্তানের জন্য ওষুধ নিয়ে বাড়ি ফেরেন আনন্দ। তার এক মে’য়েও রয়েছে।
সূত্র : আজকাল













































