প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার চেয়ে বন্ধ রাখার ম্যাসেজ বেশি পাচ্ছি: শিক্ষামন্ত্রী

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

করো’নাভাই’রাসের চলমান পরিস্থিতির মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে নাকি বন্ধই থাকবে, এ বিষয়ে দ্বিমুখী চাপের কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। জানিয়েছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগামী ১৩ জুন খুলে দেয়ার চেষ্টা থাকলেও খুলে দেয়ার মেসেজ থেকে বন্ধ রাখার মেসেজ বেশি পাওয়া যাচ্ছে।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরুর মৃ’ত্যুতে স্ম’রণসভায় অংশ নিয়ে মন্ত্রী এ কথা বলেন।দীপু মনি বলেন, ‘আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার সব প্রচেষ্টা আছে। যেকোনো সময় চাইলে খুলে দেয়া যায়। যারা আ’ন্দোলন করে যাচ্ছেন খুলে দেয়ার জন্য, তাদের মধ্যে সবার মতামত প্রতিফলিত হয় না। অনেক অ’ভিভাবক সেখানে কথা বলতে পারেন না। আমা’র কাছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার থেকে বন্ধ থাকার মেসেজ বেশি আছে।

আমাদের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন সংক্রমণ শতকরা ৫ ভাগের নিচে না নামলে খুলে দেয়া অনুচিত হবে। তবে আম’রা অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছি। দিন দিন সেটা আরও সমৃদ্ধ হচ্ছে।চলমান পরিস্থিতিতে একাডেমিক লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা অনলাইনে নেয়ার সুপারিশ করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আম’রা যেকোনো উপায়ে তাদের পরীক্ষা নিয়ে নেব। সেটা অনলাইনে হোক বা ক্লাসে উপস্থিত হয়ে। সেখানে সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেয়া হবে। আম’রা অনুমতি দিয়েছি। কেউ যেন আ’ট’কে না থাকে, সে ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে।’

এ সময় উন্নত বিশ্বের উদাহ’রণও টানেন শিক্ষামন্ত্রী। জানান, উন্নত বিশ্ব একবার খুলে দেয়ার চেষ্টা করেছে আবার সংক্রমণ বাড়লে বন্ধ করে দিয়েছে। যেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা খুবই কম ও স্বাস্থ্যবিধি ষোলো আনা মানা হয়, তারাও খুলতে পারেনি। আমাদের দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা অনেক বেশি সেখানে আম’রা পরিকল্পনা করছি কী’ভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে করতে পারব। আমাদের সব প্রস্তুতি আছে।’

শিক্ষাব্যবস্থায় নানা সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী। বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আম’রা দ্রুততম সময়ের মধ্যে খুলে দিতে চাই। আমাদের সব প্রস্তুতি আছে। আশা করি, আম’রা খুলতে পারব। খোলার পরও আমাদের সজাগ থাকতে হবে। শিক্ষার্থীদের নিয়ে যে পরিমাণ শেখ হাসিনা সরকার ভাবে তা অন্য কেউ ভাবে না। তাদের স্বাস্থ্যরক্ষায় আম’রা সব সময় সজাগ আছি।’