প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

শিক্ষকদের অভিযোগে টালমাটাল মাউশি

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

খুলনার একটি সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক জাল সনদে শিক্ষকতা করছেন এমন অ’ভিযোগ করা হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি)। এ পরিপ্রেক্ষিতে একটি ত’দন্ত কমিটিও গঠন করেছিলো মাউশি।

ত’দন্তে স্কুল কলেজ ও শিক্ষাবোর্ডের দেয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে দেখা যায়, ওই শিক্ষকের সনদে কোনো সমস্যা ছিলো না।তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের নামে এমনই অ’ভিযোগের পাহাড় জমেছে শিক্ষা ভবনে। অধিদপ্তরটির কর্মক’র্তারা বলছেন, অ’ভিযোগের প্রেক্ষিতে ত’দন্ত শেষে দেখা যায় অধিকাংশই মিথ্যা। ফলে কর্মক’র্তাদের শুধু ঘামই ঝরছে না নষ্ট হচ্ছে সরকারি কর্মঘণ্টাও।

এ বিষয়ে নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক মাউশির এক কর্মক’র্তা বলেন, যেভাবে অ’ভিযোগ আসছে এতে করে অ’ভিযোগকারীদের শনাক্তও করা যাচ্ছে না। কারণ অধিকাংশ অ’ভিযোগ আসে ডাকযোগে। সেখানে নাম কিংবা মোবাইল নম্বরও দেন না অ’ভিযোগকারীরা।

সূত্র জানায়, মাউশিতে মা’মলার সংখ্যা ১০ হাজার। যার মধ্যে ৮০ ভাগ এমপিও সংক্রান্ত। এছাড়াও পদোন্নতি, জনবল কাঠামো চ্যালেঞ্জ, সাময়িক বহিষ্কার, নিয়োগ সংক্রান্ত এমনকি কর্মক’র্তার স্ত্রী’ নি’র্যাতনের মা’মলাও রয়েছে। এসব সমস্যার কারণে অধিদপ্তরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে।

এ বিষয়ে শিক্ষক সংগঠনের নেতা ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অ’ভিযোগের বিষয়টি আগেও ছিলো। আর এখন ব্যক্তি রোষানল থেকে এগুলো বেশি হচ্ছে। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক শিক্ষক আরেকজন শিক্ষককে ইঙ্গিত করে বিভিন্নভাবে দুষছেন। এমন ঘটনায় বিদ্বেষের বশে নামে বেনামে অনেকেই অধিদপ্তরে অ’ভিযোগ করছে।

মাউশির কর্মক’র্তারা জানান, কেউ যদি কারো বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগ দিতে চান তবে তাকেও নাম ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিয়ে অ’ভিযোগ করতে হবে। এমন একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ চলছে।

এ প্রসঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (বিদ্যালয়) মো. বেলাল হোসাইন বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, ‘অ’ভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিধি অনুযায়ী কাজ করে মাউশি। আমাদের এখানে যে অ’ভিযোগই আসে আম’রা সেটি এড্রেস করি। নিয়ম মাফিকভাবে ত’দন্ত শেষে ব্যবস্থাও নেয়া হয়।’