প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

শা’রীরিক মি’লনের সময় এই ভুলগুলো করলে আপনার কখনোই সন্তান হবে না!

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

প্রত্যেক বিবাহিত নারী সন্তানের মুখ দেখতে চায়। কারও গ’র্ভে সন্তান আসে না আবার কারও গ’র্ভে সন্তান এলেও তা নষ্ট হয়ে যায়। বার বার এভাবে সন্তান নষ্ট হলে মায়ের মনে ‘হতাশা নেমে আসে।

গ’র্ভাবস্থার প্রথম তিন থেকে চার মাসের মধ্যেই বেশিরভাগ সন্তান নষ্ট হয়। কেন নষ্ট হয়: ৬০ থেকে ৭০ ভাগ ক্ষেত্রে জেনেটিক বা জন্মগত ত্রুটির কারণে গ’র্ভে সন্তান নষ্ট হয়ে থাকে।অন্যান্য কারণের মধ্যে জরায়ুর গঠনগত ত্রুটি,

একাধিকবার এমআর-ডিএন্ডসি করার কারণে জরায়ুমুখের সিথিলতা, জরায়ুতে টিউমা’র, গ’র্ভাবস্থায় ইনফেকশন, গ’র্ভফুলের ত্রুটি, ডায়াবেটিস, থায়রয়েড সমস্যা, উচ্চ র’ক্তচাপ, দীর্ঘমেয়াদি অ’সুখ,ধূমপান, ম’দপান, নি’ষি’দ্ধ ওষুধ, অ’ত্যধিক কফি পান, হরমোনের তারতম্য, ভেজাল খাদ্য ও প্রসাধনী, পরিবেশ দূষণ, স্বামী-স্ত্রী’র ডিএনএ ত্রুটি ইত্যাদি। স্বামী-স্ত্রী’র একই র’ক্তের গ্রুপ কখনোই বাচ্চা নষ্ট হওয়ার কারণ, বন্ধ্যত্ব বা গ’র্ভাবস্থায় জটিলতার জন্য দায়ী নয়।

কি কি পরীক্ষা দরকার: প্রজননতন্ত্রের আল্ট্রাসনোগ্রাফি, হিসটেরোসকপি করে জরায়ু ও জরায়ুমুখের গঠনগত ত্রুটি জানা যায়। বিভিন্ন প্রকার র’ক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে মায়ের শরীরে সন্তান নষ্ট হওয়ার কারণগু’লো চিহ্নিত করা যায়।স্বামী-স্ত্রী’র ডিএনএজনিত কোনো ত্রুটি আছে কিনা তাও নির্ণয় করা যায়।প্রতিকার: কারণ নির্ণয় করে চিকিৎসা নিলে বেশিরভাগ মা সন্তান লাভে সফল ‘হতে পারেন।

মনে রাখবেন, সন্তান নেওয়ার আগেই চিকিৎসকের পরাম’র’্শ নেওয়া জরুরি।ডা. রেজাউল করিম কাজলসহযোগী অধ্যাপক, প্রসূতি ও স্ত্রী’রোগ বিভাগ, ব’ঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়।ছে’লে সন্তান এবং মে’য়ে সন্তান নেয়ার জন্য যা করেতে হবে, বিয়ের পর নব দম্পতিরা তাদের অনাগত সন্তান নিয়ে কিছু না কিছু পরিকল্পনা করে থাকে। কিন্তু গ’র্ভের সন্তানটি ছে’লে না মে’য়ে হবে, তা কি আম’র’া নিয়ন্ত্রণ করতে পারি?

অনেকেরই শখ থাকে তার পরবর্তী সন্তানটি হবে দুরন্ত একটি ছে’লে অথবা ফুটফুটে একটি মে’য়ে । একেবারে নিশ্চিত হবার কোনো উপায় না থাকলেও, ছোট্ট একটি প্রাকৃতিক কৌশল অবলম্বন করা যেতে পারে।মূলত শারীরিক মিলনের সময়ের ওপরে নির্ভর করে এই প’দ্ধতি। তা কি করে কাজ করে জানতে হলে আপনাকে প্রথমেই দুইটি বি’ষয়ে জ্ঞান রাখতে হবে। একটি হলো ওভিউলেশন বা ডিম্বপাত নামের প্রক্রিয়াটি কিভাবে কাজ করে, আরেকটি হলো স্পার্ম বা শুক্রা’ণু কিভাবে একে প্রভাবিত করে।