অনেকে এসে অনেক কথা বলবেন। তবে এটাই সত্য। মুনিম শাহরিয়ার গত আসরে ডিপিএলে আবহানীর একাদশে চ্যান্স পায় নাই সৌম্যর কারণে। আর এই আসরেও চ্যান্স পেতো না লিটন দাসের কারণে।
এবং চ্যান্স পাবারও কথা না। ১৩ লিষ্ট এ ম্যাচ খেলে ২১ গড়ে ১টি ফিফটি পেয়েছেন এই ব্যাটসম্যান।আন্ডার ১৯ এও আহাম’রি ছিলেন না। লিটন-সাদমানদের সাথে খেলা এই ক্রিকেটার ১৫টি আন্ডার ১৯ ওয়ানডে ম্যাচ খেলে রান করেছেন ১১ গড়ে। এমন ব্যাটসম্যানের উপর কেউ ইনভেস্ট করার চিন্তাও করবে না। আর হেভি ওয়েটেড আবহানীতো আরও না।
বলাই বাহুল্য পুরো সিজন সাইড বেঞ্চে বসেই কা’টানোর কথা এই ব্যাটসম্যানের। তবে লিটন দাসের ইঞ্জুরি তার জন্য একাদশের দরজাটা খুলে দিছে। যদি লিটন দাস ইঞ্জুরিতে না পড়তো তাহলে ৫০ বলে ৯ চার আর ৫ ছক্কার মা’রে ৯২ রানের ইনিংসটা দেখতাম না।
যা এবারের আসরে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান। গত ম্যাচের ন্যায় আজকেও ব্যাট হাতে জ্বলে উঠেছেন মুনিম শাহরিয়ার। শেখ জামালের বোলারদের তুলোধুনো করে তিনটি ছয় এবং নয়টি চারের মা’রে ৪০ বলে করেছেন ৭৪ রান।
বৃষ্টিটে খেলা বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত ১৮.২ বলে ৩ উইকেট হারিয়ে আবহানীর সংগ্রহ ১৭৭ রান। যদিও শুনেছিলাম যে মুনিম একজন মা’রমুখী ক্রিকেটার, তবে সেভাবে ঝলক পাইনি। গত ম্যাচে প্রাইম ব্যাংকের বিপক্ষে তার ব্যাটিং দেখে নিলাম। এজন্য লিটন দাসকে একটা ধন্যবাদ দিতেই পারেন মুনিম শাহরিয়ার।













































