কলেজ জীবনে এসএফআই করতেন। রাজ্যে পালাবদলের পর আবার ঢুকে পড়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বৃত্তে। একুশের ভোটে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপি টিকিটে ভোটে লড়লেন অ’ভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। বারবার দলবদল নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কম কটাক্ষ সহ্য করতে হয়নি তাকে।
এমনকি, সহ-অ’ভিনেতাদের কেউ কেউ রুদ্রনীলকে সরাসরি সুবিধাবাদী বলেও কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি। এবারের অ’ভিযোগটি রীতিমতো গুরুতর।টলিউড তারকার বি’রুদ্ধে এবার ফেসবুকে বি’স্ফো’রক পোস্ট দিলেন নীলাঞ্জনা পাণ্ডে নামে এক নারী। তিনি দাবি করেন, কয়েক বছর আগে, রুদ্রনীলের কুপ্রস্তাব না মানায় প্রোডাকশন হাউস থেকে তাকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। এমনকি তার প্রাপ্য টাকাও দেওয়া হয়নি। মঙ্গলবার (৪ মে) ভা’রতীয় সংবাদ মাধ্যম জিনিউজের প্রতিবেদনে এ খবর জানা যায়।
এর আগে রোববার (২ মে) ভোটের ফল প্রকাশিত হয়। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পশ্চিবঙ্গে ফের ক্ষমতা ফিরেছে তৃণমূল। কলকাতার ১১টি আসনেই জিতেছেন ঘাসফুল শি’বিরের প্রার্থীরা। ভবানীপুরে রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের কাছে হেরে গেছেন রুদ্রনীল।
এরপরই এমন পোস্ট করেন নীলাঞ্জন পাণ্ডে। তিনি লিখেছেন, আমি যদি সত্যি কথা বলি, তাহলে বলব, আমি সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছি রুদ্রনীল ঘোষের হারে। আজও বিশ্বা’স করি, স্রষ্টা মা’রে, আওয়াজ হয় না। তার বিচার খুব সুক্ষ্ম বিচার। সেদিন হয়তো রুদ্রনীল প্রভাব খাটিয়ে আ’দালতে আমাকে পরাজিত করত। কিন্তু আজ জনগণ সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন। আজ রুদ্রনীল ঘোষ পরাজিত। রুদ্রনীলের পতনের সবে শুরু হয়েছে।
অ’ভিনেতাকে তার হুঁশিয়ারি, রুদ্রনীল, এই পোস্টের কথা জানার পর তুমি সাইবার ক্রা’ইম সেলে যাও, আমা’র বি’রুদ্ধে মা’মলা করো, আমি সেসবের পরোয়া করি না। কিন্তু মনে রেখো, এই তোমা’র পতনের শুরু।
ওই নারী আরও বলেন, সেদিন ইন্ডাস্ট্রিতে নিউকামা’র ছিলাম। আজ প্রশ্ন উঠতে পারে, কেন সেদিন বিচার চাইনি? আসলে তখন ভয় পাইনি, কিন্তু বিচারের জন্য একজন নিউকামা’রকে কিভাবে এগোতে হবে জানতাম না। ঘৃ’ণাবশত রুদ্রর নোংরা মেসেজ মোবাইল থেকে ডিলিট করে দিয়েছিলাম। ফলে প্রমাণ ছিল না। যদিও এই ঘটনা নিয়ে রুদ্রনীল ঘোষের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।













































