প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

রাত ১২টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখতে চান ব্যবসায়ীরা

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

দোকানপাট, শপিং মল রাত ৮টার পরিবর্তে রাত ১২টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির নেতারা। তাঁরা বলেছেন, সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকার পরিবর্তে সকাল ১০ থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত খোলা থাকলে দোকানপাট ও শপিং মলে ভিড় কম হবে।আজ রোববার এ দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বরাবর চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি।

চিঠিতে বলা হয়, সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকলেও ক্রেতা সাধারণ বেলা ৩টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে কেনাকাটা শেষ করে বাসায় ফিরে ইফতার করেন। কারণ সব হোটেল ও রেস্তোরাঁয় বসে খাওয়া যায় না বলে, বাইরে ইফতার করার কোনো সুযোগ থাকে না। অন্যদিকে বেসরকারি অফিসগুলোর বেশির ভাগই বিকেল ৪টায় ছুটি হয়। তারা সাড়ে ৫টা পর্যন্ত কেনাকাটা করে।

ফলে এ সময় পর্যন্ত ক্রেতার চাপ অনেক হয় এবং প্রচণ্ড ভিড় হয়। অন্যদিকে ইফতারের পর ঘণ্টাখানেকের জন্য মার্কেট খোলা থাকে। এ সময়ে মার্কেট প্রায় ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মার্কেট যদি রাত ১২টা পর্যন্ত খোলা থাকে তাহলে বেলা ৩টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত যে ভিড় হয়, তা কমে যাবে এবং ক্রেতারা সময় নিয়ে কেনাকাটা করার সুযোগ পাবেন।

চিঠিতে আরও বলা হয়, প্রত্যেক মার্কেট কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পদক্ষেপ গ্রহণ করায় ৯৫ ভাগ মানুষ মাস্ক ব্যবহার করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে। এ ছাড়া ঈদের আর ১০ দিন বাকি, এ অবস্থায় ক্রেতা ও বিক্রেতার যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার স্বার্থে রাত ১২টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার আবেদন জানাচ্ছি।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার প্রথমে ৫ এপ্রিল থেকে চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করে। এর ফলে সব দোকান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত আরও কঠোর বিধিনিষেধ দিয়ে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ শুরু হয়। পরে আবার লকডাউনের সময় বাড়ানো হয়। তবে ব্যবসায়ীরা দোকান খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। পরে ক্ষুদ্র, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের চরম ক্ষতির কথা চিন্তা করে ২৩ এপ্রিল থেকে প্রথমে ১০টা থেকে ৫টা পর্যন্ত পরে ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়।