হেফাজতে ইস’লাম থেকে রাজনৈতিক পরিচয় পরিচয়ধারী নেতাদের বাদ দিয়ে নতুন কমিটি করা হবে।
ইতিমধ্যে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী ও নুরুল ইস’লাম জিহাদীর নেতৃত্বাধীন হেফাজতে ইস’লামের বর্তমান কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে।
সদ্য বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মা’ওলানা নাসির উদ্দিন মুনির যুগান্তরকে বলেন, সংগঠনটি থেকে বিতর্কিত নেতাদের বাদ দিয়ে নতুন কমিটি করা হবে। একটি আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে অরাজনৈতিক আলেম’দেরকে নিয়ে নতুন করে হেফাজতকে ঢেলে সাজানো হবে।
রোববার রাত ১১টার একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন হেফাজত আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।
ভিডিও বার্তায় আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন- প্রিয় দেশবাসী, দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম অরাজনৈতিক দ্বীনি সংগঠন হেফাজতে ইস’লাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পরাম’র্শক্রমে বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হল।
ভিডিওবার্তায় তিনি আরো বলেন, ইনশাআল্লাহ- একটি আহবায়ক কমিটির মাধ্যমে হেফাজতে ইস’লামের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
প্রসঙ্গত, ভা’রতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ আগমনকে কেন্দ্র করে গত মা’র্চের ২৫, ২৬ ও ২৭ তারিখ দেশজুড়ে যে সহিং’স ঘটনা ঘটেছে, অন্তত ১৭ জন মানুষের প্রা’ণহানি হয়। এসব নাশকতার পেছনে জ’ড়িত থাকার অ’ভিযোগে অন্তত এক ডজন হেফাজত নেতা গ্রে’ফতার রয়েছেন।
এর মধ্যে হেফাজতে ইস’লামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে রয়্যাল রিসোর্টে নারীসহ জনতার হাতে ধ’রা পড়েন। এতে নতুন করে বিতর্কের মুখে পড়ে হেফাজত।
সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে কোণঠাসা হেফাজতে ইস’লামের শীর্ষ নেতারা শুরু থেকেই সমঝোতার চেষ্টা করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় তারা গোয়েন্দা সংস্থা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
গত সপ্তাহে হেফাজত ইস’লামের মহাসচিব মা’ওলানা নুরুল ইস’লাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রীর বাসায় দেখা করে দলের নেতাকর্মীদের গণগ্রে’ফতার না করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। কিন্তু সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে শেষ পর্যন্ত বর্তমান কমিটি ভেঙে দিলেন হেফাজত নেতারা।









































