আমাদের দেশের অনেকেরই গ্যাস্ট্রিকের স’মস্যা রয়েছে। কিছু খাবার এই গ্যাস্ট্রিকের স’মস্যাকে বাড়িয়ে তুলতে পারে, তেমনি কিছু খাবার আবার এই স’মস্যাকে কমিয়ে দিতে পারে। জে’নে নেয়া যাক যে ৭ খাবার গ্যাস্ট্রিকের স’মস্যা দূ’র করবে।
কলা: কলা সম্ভবত সেরা প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড যা গ্যাস্ট্রিক থেকে র’ক্ষা করে। পটাশিয়াম সমৃদ্ধ কলা প্রতিদিন একটি করে খাওয়ার প’রামর্শ দেয়া হয়। যদি আপনার দীর্ঘ বিরতি দিয়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস থাকে, তবে এর মাঝে কলা খেয়ে নিন। এটি আপনাকে গ্যাস্ট্রিকের হাত থেকে র’ক্ষা করবে। ক্ষুধা অ’নুভব করছেন কিন্তু খাবার খাওয়ার সময় নেই, এমন অব’স্থায় ঝটপট একটি কলা খেয়ে নিন।
তুলসি পাতা: গ্যাস্ট্রিকের স’মস্যা থেকে তাত্ক্ষণিকভাবে মু’ক্তি দেয়ার জন্য তুলসি পাতা বেশ কা’র্যকরী। কয়েকটি তুলসি পাতা চিবিয়ে খেয়ে নিন বা এককাপ পানিতে ২-৩ টি তুলসি পাতা কয়েক মিনিট সেদ্ধ করুন। গ্যাস্ট্রিকের স’মস্যা দেখা দিলে এটি পান ক’রতে পারেন।
বাটারমিল্ক: বাটারমিল্কে ল্যাকটিক অ্যাসিড রয়েছে যা গ্যাস্ট্রিক দূ’র ক’রতে সহায়তা করে। ভারী বা মশলাদার খাবার খাওয়ার পরে একগ্লাস বাটারমিল্ক খান এবং সর্বোত্তম ফলাফলের জন্য এতে কালো মরিচ বা জিরা গুঁড়া ছিটিয়ে দিন। স্বাদের জন্য কারি পাতা যোগ ক’রতে পারেন।
ডাবের পানি: ডাবের পানি অ্যাসিড উৎপাদনের ক্ষ’তিকারক প্র’ভাব থেকে আপনা পে’টকে র’ক্ষা করে। তাই গ্যাস্ট্রিক এড়াতে নিয়মিত ডাবের পানি পান করুন।
ঠান্ডা দুধ: ঠান্ডা দুধ পান করলে তা পে’টে গ্যাস্ট্রিক রস স্থিতিশীল ক’রতে সাহায্য ক’রতে পারে। যেহেতু এটি ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ তাই এটি পে’টে অতিরি’ক্ত অ্যাসিড তৈরি রো’ধ করে। অ্যাসিডিটির স’মস্যায় এটি অন্যতম সহজ প্রতিকার। গ্যাস্ট্রিকের স’মস্যা দেখা দিলে একগ্লাস ঠান্ডা দুধ পান করুন।
এলাচ: এলাচ হজ’মশ’ক্তি বাড়ায়। এটি পে’টে উৎপাদিত অতিরি’ক্ত অ্যাসিডের খা’রাপ প্র’ভাব থেকে রেহাই পেতে সহায়তা করে। আপনি যখনই গ্যাস্ট্রিকের স’মস্যা অ’নুভব করবেন তখন দুটি এলাচ নিন। এগুলো ছেঁচে এবং পানিতে সেদ্ধ করুন। স্বস্তি পেতে পানিটুকু ঠান্ডা করে পান করুন।
গুড়: উচ্চ ম্যাগনেসিয়ামযুক্ত গুড় অন্ত্রের শ’ক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এটি হজ’মেও সহায়তা করে। খাওয়ার পরে এক টুকরো গুড় চুষে খাওয়ার অভ্যাস করুন, এটি আপনার পে’ট ঠান্ডা ক’রতে সাহায্য করবে।












































